|
বাংলাদেশ থেকে সম্মান পেলেন |
| Print | |
E-mail |
|
ড.ক্লিন্টন বি সিলি
যে কবির কবিতা নিয়ে আলোচনার শেষ নেই তিনি রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ। বরিশালে যাঁর জন্ম ১৮৯৯ সালে, মৃত্যু কলকাতায় ১৯৫৪ সালে। রহস্যময়, দুর্বোধ্য, জটিল ইত্যাদি অভিধায় অভিহিত যাঁর কাব্যভাবনা প্রবীণ-নবীন প্রায় সব কবিকে আচ্ছন্ন করে আছে আজও। আধুনিক মননশীলতার অধিকারী হয়েও তিনি যে গভীর, সূক্ষ্ম দৃষ্টি দিয়ে অবলোকন করেছেন বাংলার প্রকৃতিকে, নদীমাতৃক জলবায়ুর মানচিত্রকে, লোকজ সৌন্দর্যকে যা এককথায় বিরল বলতেই হবে। বহুমুখী মাত্রায় চলমান তাঁর কাব্যচিন-াকে অন্য ভাষায় রূপান-র কিংবা অনুবাদ করা নিঃসন্দেহে দুরূহ এবং জটিল কাজ।।
আমেরিকার শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের প্রফেসর ড.ক্লিন্টন বি সিলি (১৯৪১-) এই শ্রমলদ্ধ কিন' বুদ্ধিতাত্ত্বিক কাজটি সম্পাদন করেছেন জীবনানন্দ দাশের ওপর গবেষণা করে। ১৯৯০ সালে লিখেছেন অ চড়বঃ অঢ়ধৎঃ: অ খরঃবৎধৎু ইরড়মৎধঢ়যু ড়ভ ঃযব ইবহমধষর চড়বঃ ঔরনধহধহধহফধ উধং, ১৮৯৯-১৯৫৪ . শুধু তাই নয়, ষাটের দশকে কলকাতা, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে গিয়েছেন বাংলা সাহিত্যের টানে। কবি বুদ্ধদেব বসুর সঙ্গেও তিনি সাক্ষাৎ করেছিলেন। কবি রামপ্রসাদ সেন, মাইকেল মধুসুদন দত্তর কবিতাও অনুবাদ করেছেন। ১৯৭৩ সালেই অনুবাদ করেছেন বুদ্ধদেব বসুর জনপ্রিয় উপন্যাসিকা ‘রাত ভরে বৃষ্টি।’ এসব ছাড়া আরও গ্রন' অনুবাদ এবং বাংলা সাহিত্য নিয়ে জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করেছেন বিভিন্ন সময়। জীবনানন্দ-গবেষক হিসেবে সুপরিচিত প্রফেসর সিলি ২০০৮ সালে অধ্যাপনার চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। লিখেছেন আপাতত শেষ বই ‘বরিশাল অ্যান্ড বিয়োন্ড’ এই সালেই। ।
বাংলা একাডেমী ২০০৯ সালে তাঁকে ফেলোশিপ প্রদানের মধ্য দিয়ে একটি মহৎ কাজ করেছে।
|