|
নেপাল-বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্ভাবনা- অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি |
| Print | |
E-mail |
|
লিমটন
নেপালে এখন গ্রীষ্মকাল। দুপুরে খুব গরম অনুভব হয়। তাই একদিন তৃষ্ণার্ত হয়ে গেলাম ফলের জুস কিনতে। দোকানদার ইন্ডিয়ান ব্রান্ডের ফলের জুস বের করে দিল। যখন জানতে চাইলাম আর কিছু আছে কিনা, তখন সে প্রানের ফলের জুস বের করে দিল। জুসটি দেখে খুশীতে আমার মন ভরে গেল। আমার সংঙ্গে থাকা কলিগদের দেখালাম। তারাও টেষ্ট করে খুব খুশি হলো। বললো এটার মজা অন্যান্য জুস থেকে আলাদা। অন্যগুলোতে কেমিকেল এর স্বাদ আছে আর এটা খেয়ে মনে হচ্ছে যেন সত্যি সত্যি ফল খাচ্ছি। তারা বললো এখন থেকে বাংলাদেশের জুসই খাবে। এতে আমার মনটা গর্বে ভরে গেল।
বাংলাদেশের সাথে নেপালের বাণিজ্য চুক্তি স্বারিত হয় ২ এপ্রিল ১৯৭৬ সালে। এখন বাংলাদেশ নেপাল এর দ্বিতীয় রপ্তানি কারক দেশ আর ১৩ তম আমদানীকারক দেশ। সার্ক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদের নেপালে ১০.৫% রপ্তানী করে কিন্তু এটা নেপালের সার্কদেশসমূহের আমদানির ০.৩%। নেপাল বাংলাদেশ বাণিজ্যের েেত্র বাংলাদেশের ঋনাত্তক ব্যালেন্স পরিলতি হয়। ঢাকার সাথে সরাসরি বিমান চলাচল ব্যবস্থা আছে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর সাথে। আকাশের যাতায়াতের সময় সর্বচ্চো ১.৩০ ঘন্টা। সড়ক পথে ও যোগাযোগ ব্যবস্থা আছে। এটা একটা বাংলাদেশের জন্য বড় সুবিধা নেপাল-বাংলাদেশ এর বাণিজ্য বৃদ্ধির েেত্র। যা হোক বাংলাদেশ এবং নেপাল এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পারছেনা। দাণি এশিয় দেশসমূহের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি দূর করতে বাংলাদেশের উচিত নেপালে রাপ্তানি বৃদ্ধি করে ভারসাম্য আনয়ন করা।
বাংলাদেশে নেপাল থেকে বিভিন্ন সামগ্রী আমদানি করছে যার মূল্য প্রায় ৪.৬ মিলিয়ন টাকা। অপরদিকে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ০.৪৯ মিলিয়ন টাকার দ্রবাদি। যা সত্যি অসম। বাংলাদেশ নেপালে রপ্তানি বৃদ্ধি করে এই ঘাটতি দূর করতে পারে এবং এটা নিয়ে সরকারের চেষ্টা করা উচিত।
নেপালি উদ্যাক্তাদের সাথে নিয়ে বাংলাদেশ জয়েন্ট ভেঞ্চার ব্যবসা শুরু করতে পারে, তার মধ্যে কানাডা থেকে আমদানিকৃত দ্রব্য তারা নিজের দেশেই প্রস্তুত করত পারে।
নেপাল একটি ল্যান্ডলক (খধহফ-ষড়পশ পড়ঁহঃৎু) দেশ। তাদের কোন সমুদ্র বন্দর নাই। সবকিছুতে ইন্ডিয়ার উপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশ সরকার যদি নেপালকে তাদের সমুদ্র বন্দর ব্যবহার করতে দেয় এতে বাংলাদেশ সরকার লাভবান হবে। অন্য শক্তিশালী দেশের তুলনায় ঝুকিও কমবে।
বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লে নেপাল ও বাংলাদেশ যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন কর্মসূচি নেয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশের পোশাকের ব্যাপক চাহিদা পরিলতি হয় নেপালে। ইন্ডিয়া থেকে কম মূল্যে আর একটু ভালো মানের পণ্য সরবরাহ করতে পারলে বাংলাদেশ এক চেটিয়া বাণিজ্য সম্প্রসারণ করতে পারে নেপালে।
অপরদিকে বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়া থেকে প্রচুর সামগ্রী আমদানি করে। নেপালে রপ্তানি করে বাংলাদেশ দণি এশিয়ার বাণিজ্য ভারসাম্য রা করতে পারে।
|
|
|
অস্ট্রেলিয়ার প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড |
| Print | |
E-mail |
|
অস্ট্রেলিয়ার মতাসীন লেবার পার্টি থেকে কেভিন রুড সরে দাঁড়ানোয় জুলিয়া গিলার্ড দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। সাবেক উপ-প্রধানমন্ত্রী গিলার্ড আজ বৃহস্পতিবার সকালে অনুষ্ঠিত এক সভায় কোনো বিরোধিতা ছাড়াই পার্লামেন্টেলেবার পার্টির ১১২ সদস্যের ভোটে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। আর বর্তমান অর্থমন্ত্রী ওয়েন সোয়ান ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
এর আগে কেভিন রুড দলীয় সভায় তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। ২৪জুন বৃহস্পতিবার রুড স্বীকার করেন, তার ওপর পার্টির একটি পরে কোনো আস্থা নেই।
মতাসীন লেবার পার্টির জনসমর্থন অনেক কমে গেছে। সাম্প্রতিক এক জরিপে এ ফলাফলের পর চলতি বছরের শেষ দিকে অনুষ্ঠেয় সাধারণ নির্বাচনে পরাজয় এড়াতে দলটি প্রধানমন্ত্রী বদলের এ পদপে নেয় বলে লেবার পার্টির বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
দলীয় সভায় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার পর ক্যানবেরায় পার্লামেন্ট ভবন থেকে বের হয়ে গিলার্ড সাংবাদিকদের বলেন, ‘দলের নেতৃত্ব পরিবর্তনে আমি নিজেই সতীর্থদের অনুরোধ করেছিলাম। কারণ, আমার ধারণা জন্মেছিল, একটি ভালো প্রশাসন তার গতিপথ থেকে বিচ্যুত হতে যাচ্ছে। এ অবস্থায় অলস থাকতে পারিনি।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমি বেশ সম্মানিত বোধ করছি। শিগগিরই আমি একটি পূর্ণ বিবৃতি দেব।’
রাজনীতিবিদদের ধারণা, গিলার্ড অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রনীতিতে বিশেষ করে আফগানিস্তানে সেনা পাঠানোর প্রতিশ্র“তির েেত্র পরিবর্তন আনবেন।
উল্লেখ্য, ওয়েলসের ব্যারি দ্বীপে জন্মগ্রহণকারী গিলার্ড মাত্র চার বছর বয়সে তার পরিবারের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান।
তথ্যসূত্র: বিবিসি অনলাইন, আল-জাজিরা অনলাইন।
|
|
|
|
|
|