|
বৃহত্তর কুমিল্লা সোসাইটি জাপানের পুনর্মিলনী দশদিক প্রতিবেদক
গত ৯ই মে টোকিও আকাবানে ভিবিও মিলনায়তনে বিকেল থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় বৃহত্তর কুমিল্লা সোসাইটি জাপানের প্রবাসী প্রীতি পুনর্মিলন। এই অনুষ্ঠানে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা উপহার দেয় উত্তরণ কালচারাল গ্র“প। সেইসঙ্গে ছিল স্বদেগন্ধে সুস্বাদু খাদ্যে ভরপুর আনন্দদায়ক এক সান্ধ্যভোজ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন শিল্পী যেরোম গোমেজ। সমাপনী বক্তব্যে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সাংস্কৃতিক কর্মী, লেখক ও সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন। উল্লেখ্য যে, জাপানে বসবাসরত বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার প্রায় দুই শতাধিক অতিথি উপস্থিত থেকে এই অনুষ্ঠানটি সপরিবারে উপভোগ করেন।
জাপানে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কর্মাস এর প্রতিনিধি দল বেলায়েত হোসেন তুহিন
গত ১৬ই মে রবিবার, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এর সভাপতি এম আবদুল লতিফ এমপি টোকিওস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে জাপানস্থ বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাাতে মিলিত হন। তিনি চট্টগ্রাম চেম্বারের একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে এক সপ্তাহের জন্য জাপান সফরে আসেন। সফরের মূল উদ্দেশ্য জাপানে বসবাসরত বাংলাদেশী ব্যবসায়ী এবং জাপানি ইনভেস্টরদেরকে বাংলাদেশে বিনিয়োগে উৎসাহিত করে তোলা।
প্রতিনিধি দলটি জাপানের বিভিন্ন জেলা শহরে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সাথে সাাৎ করেন। তাদের সাথে সাাৎকালে তারা বাংলাদেশে জাপানি ইনভেস্টরদের ইনভেস্ট করায় অনাগ্রহের বিভিন্ন কারণ তুলে ধরেন। চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি এসব কারণ বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে খতিয়ে দেখার ওয়াদা করে বলেন, দেশে বিদ্যুৎ নেই কিন্তু কেন নেই তার কারণ বর্তমান সরকারের দায়িত্বের অবহেলা নয়। আপনারা সকলেই তা ভালো করেই জানেন। তারপরেও বিরোধী দলের প থেকে বর্তমান সরকারের অবহেলা বা ব্যর্থতার কথা বলা হচ্ছে।
সভাপতি আবদুল লতিফ মন্তব্য করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন দেশে ঘুরছেন শুধু বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণের জন্য। প্রধানমন্ত্রী এও বলেছেন, সরকারী বা বিরোধী দলের যে কেউ যদি বিদ্যুৎ খাতে ইনভেস্ট করেন যে কোন সুযোগ দেয়া হবে। তার জন্য কোন টেন্ডার দরকার হবে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, এ জন্য যদি কোন মামলাও হয় আমার নামে হবে। এতবড় কথা এ পর্যন্ত কোন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন বলে জানা নেই। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে কতটা যে আন্তরিক তা বলার আর অপো রাখে না। এমপি জাপানের বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদেরকে বাংলাদেশে ইনভেস্ট করার অনুরোধ করে বলেন, পারলে জাপানি ইনভেস্টরদেরকেও দেশে নিয়ে যাবার জন্য আরও বেশি আগ্রহী করে তুলতে হবে।
সভাপতির সাথে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এর অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন সাঈদ মোহাম্মদ সফিউল হক (সহ-সভাপতি), ফাহিম আহম্মেদ ফারুক (পরিচালক), মোঃ মইন উদ্দিন আহম্মেদ (পরিচালক), উয়াশির রহমান চৌধুরী (পরিচালক) মোঃ আলমগীর পারভেজ (পরিচালক), মোঃ নূরুল আমিন (পরিচালক), কামাল মোস্তফা চৌধুরী (প্রাক্তন পরিচালক), আক্তার আহম্মেদ চৌধুরী (সদস্য), দিদারুল আলম (সদস্য), আবদুল মান্নান মজুমদার (সদস্য), মোঃ জাভেদ ইকবাল (সদস্য), কাজী মোহাম্মদ যোবায়ের (ব্যবসায়ী), মোঃ নূরুল ইসলাম (ব্যবসায়ী), উডি য়াং (ব্যবসায়ী), আবদুল মালেক (সম্পাদক, দৈনিক আজাদী), মোঃ তাসলিমউদ্দিন চৌধুরী (সম্পাদক দৈনিক পূর্বকোণ), রেজা হায়দার চৌধুরী (সাংবাদিক), মোঃ আলমগীর (সাংবাদিক) এবং হাসান আকবর।
দূতাবাসের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভার সভাপতি ছিলেন দূতাবাসের চার্জ দ্য এ্যাফেয়ার্স একেএম মনজুরুল হক। সভা পরিচালনা করেন দূতাবাসের কমার্স কাউন্সেলর আবুল মনসুর মোহাম্মদ ফয়জুল্লাহ্। সভায় বাংলাদেশী ব্যবসায়ী ছাড়াও সামাজিক, আঞ্চলিক বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ব্যবসায়ী এবং নেতৃবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কাজী মাহফুজুল হক লাল, (সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, জাপান), মোঃ সাহিদুর রহমান খান হিরু (গাড়ি ব্যবসায়ী), আজিজুল ইসলাম (ব্যবসায়ী), মাহবুবুর রহমান, কাজী সারোয়ার হাবীব (রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী), সুখেন ব্রহ্ম (পরিচালক, বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ জাপান), মাইনুল হক দিদার (গাড়ি ব্যবসায়ী), তসলিম উদ্দিন (রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী), কাজী এনামুল হক (আইটি ইঞ্জিনিয়ার), রফিক উদ্দিন ফরাজী (ব্যবসায়ী), মোবারক হোসেন রিদয় (ব্যবসায়ী), আহসান হাবীব (ব্যবসায়ী), নেসারুল হাকিম (গাড়ি ব্যবসায়ী), এস ইসলাম নান্নু (গাড়ি ব্যবসায়ী), বাদল চাকলাদার (ব্যবসায়ী), ছলেহ্ মোঃ আরিফ (সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামী লীগ জাপান) প্রমুখ।
অনুষ্ঠান শেষে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এর সভাপতি এম আবদুল লতিফ এমপি, জাপানস্থ বাংলাদেশীদের দ্বারা নবগঠিত বিসিসিআইজে’র পরিচালক সুখেন ব্রহ্মের হাতে একটি ক্রেস্ট তুলে দেন। সেইসঙ্গে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এর সাথে টোকিও চেম্বারকে সিস্টার-চেম্বার করার আহবান জানান। সবশেষে ছিল একটি মনোজ্ঞ চাচক্র।
গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খানের শিা সফর পি.আর. প্ল্যাসিড
গণপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আবদুল মান্নান খান স্বল্পকালীন সময়ের জন্য জাপান সফর করেন। এই সফরে তিনি গত ২৩শে মে রবিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ দূতাবাসে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। দূতাবাসের চার্জ দ্য এ্যাফেয়ার্স একেএম মনজুরুল হকের সভাপতিত্বে এবং দূতাবাসের প্রথম সচিব নাজমূল হুদার উপস্থাপনায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠানে মন্ত্রীর সাথে ছিলেন তাঁর মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিব। মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের আগে স্থানীয়দের বক্তব্য দেবার জন্য আহবান জানালে প্রবাসীদের মধ্য থেকে অ্যাড.মাহাবুবুর রহমান, আওয়ামী লীগ জাপান শাখার সভাপতি কাজী মাহফুজুল হক লাল, ব্যবসায়ী এহসান হাবীব, লুৎফর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আবদুর রহমান, বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সভাপতি রফিকউদ্দিন ফরাজী, আজীজুল ইসলাম, ওয়াহিদ মোল্লা প্রমুখ দেশে বিভিন্ন সমস্যার পাশাপাশি পূর্তমন্ত্রণালয়ের বেশ কিছু অনিয়ম, অব্যবস্থাপনাসহ প্রবাসীদের হয়রানির কথাও জোরালোভাবে তুলে ধরেন। কাজী লাল রাজউক এর প্লট বরাদ্দের অনিয়ম নিয়ে বলেন, প্রবাসীদের যেন এসব নিয়ে আর হয়রানি না করা হয়।
ইঞ্জিনিয়ার আবদুর রহমান ােভের সাথে বলেন, পাকিস্তানিদের কাছ থেকে আমাদের অনেক কিছুই পাওয়ার ছিল। কোনকিছুই ভাগাভাগি হয়নি। এত বছর পর বাংলাদেশ সরকার আর কিছু যদি করতে নাও পারে আন্তর্জাতিক আদালতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যেন অন্তত একটা মামলা করে। আন্তর্জাতিক আদালত সেটা দেখবে।
বক্তাগণ ঢাকা শহরে অপরিকল্পিত অট্টালিকা নির্মাণের ফলে যে সমস্যা হচ্ছে এসব রোধ করার জন্য যথাযত ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানান। মন্ত্রী সকলের কথা শোনার পর তাঁর বক্তব্য এবং বিভিন্ন জনের প্রশ্নের উত্তর দেবার শুরুতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি কবিতা পাঠ করেন। তিনি বলেন, আজকে যারা দেশে সন্ত্রাস দমনের কথা বলছেন, তারা একবারও কি ভেবে দেখেছেন, এই সন্ত্রাসের শুরু কোথায়? তিনি হিসেব করে বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর থেকে আওয়ামী লীগ দেশ শাসন করেছে মাত্র সাড়ে ৯ বছর। অন্যান্য দল দেশ শাসন করেছে ৩০ বছর। আওয়ামী লীগ দেশ থেকে সন্ত্রাস দূর কতে পারছে না ঠিক, কিন্তু অন্যরা কি করেছিলেন? ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর যারা খুনীদের দেশ থেকে নিরাপদে আশ্রয় নেবার জন্য বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরী দিয়ে পুরস্কৃত করেছিল, বঙ্গবন্ধু-হত্যার বিচার যেন বাংলার মাটিতে করতে না পারে সেই ব্যবস্থা করা হয়েছিল সংবিধান পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন আইন করে। তারাই আজ সন্ত্রাস দূর করার কথা বলছে। বিগত সরকারগুলো দেশের প্রতিটি েেত্র সন্ত্রাস বিস্তার করে এখন বলছে সন্ত্রাস দমনের কথা। এই সন্ত্রাস কি একদিনে দূর করা যায়? দেশে বিদ্যুৎ নেই, কেন নেই? আজকে যারা বিরোধী দলে তারা কি করেছিলেন মতায় থেকে? তারাতো সামান্য বিদ্যুৎও উৎপাদন করে যেতে পারেননি। বর্তমান সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন পদপে গ্রহণ করেছে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য। বর্তমান সরকার দেশের এই বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণের জন্য যথেষ্ট আন্তরিক।
মন্ত্রী আবদুল মান্নান খান জানান, এবারের সফর হচ্ছে তাঁদের শিা সফর। চীন হয়ে জাপানে এসেছেন। এখান থেকে যাবেন ভিয়েতনাম। বিভিন্ন দেশে ঘুরে দেখার পরে যা ভালো লাগবে, সে সব দেশে প্রয়োগ করার কথা বলেন। তিনি প্রবাসীদের বিষয় গুরুত্বসহকারে দেখবেন বলে আশ্বাস দেন।
সবশেষে চা চক্রের ব্যবস্থা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রায় অর্ধশতাধিক প্রবাসী উপস্থিত ছিলেন।
সায়োনারা জাপা: সৈয়দ এম শোয়েব প্রবিস
সৈয়দ এম শোয়েব জাপান ছেড়ে চলে গেলেন কানাডায়। ১৬ বছর অবস্থানের ইতি টানলেন। খুব একটা ঘনিষ্ঠতা ছিল এ কথা বলা যাবে না কিন্তু কোথায় যেন আমরা বাঁধা পড়েছিলাম পরস্পরের অদৃশ্য বিনিসুতোর বন্ধনে।
জাপানের বাংলাদেশী কমিউনিটিতে খুবই পরিচিত মুখ ছিলেন তিনি। বিশেষ করে সংস্কৃতিচর্চার ক্ষেত্রে । রাজনীতি, সংস্কৃতি ও লেখালেখির চর্চা করছেন ছাত্রজীবন থেকেই। এখানে স্বরলিপি কালাচারাল একাডেমীর অন্যতম প্রধান কর্মকর্তা ছিলেন, একাধিক অনন্য অনুষ্ঠান উপহার দিয়েছেন। আনন্দে-উদ্বেলতায় আপ্লুত হয়েছি তার সুপরিকল্পিত মঞ্চানুষ্ঠান দেখে। দেখা হলেই অমায়িক হাসিতে বলতেন, প্রবীরদা কেমন আছেন। সেই সম্ভাষণটি এখন থেকে টেলিফোনে বা ইমেইলে শুনতে হবে এটা এক ধরনের দূরত্ব যাকে সহজে অতিক্রম করা যাবে না তাই বলে তিনি আমাদের স্মৃতির জানালা থেকে মুছে যাবেন তা কিন্তু নয়, কখনোই নয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সন্তান বিধায় বৃহত্তর কুমিল্লা সোসাইটি জাপানেরও কার্যকরী কর্মকর্তা ছিলেন জনাব শোয়েব। বর্ণাঢ্য, দুরন্ত যৌবনের একটি সোনালি সময় তিনি জাপানে রেখে গেছেন।
শনিবার, রোববার কিংবা জাতীয় ছুটির দিনে, অথবা দূতাবাসের কোন অনুষ্ঠানে গেলে অনুজপ্রতিম শোয়েবের মুখ মনে পড়বে। স্বরলিপির অনুষ্ঠানের মঞ্চে তার অনুপস্থিতি আড়ালে ডেকে আনবে বিষন্ন শ্রাবণকে।
খুব মেধাবী মানুষ শোয়েব তার সেই ইতিহাস অনেকেই জানি না। ১৯৯০ সালে বাকসুর সাহিত্য সম্পাদক ছিলেন। বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অগ্রবর্তী হওয়াও তার মেধার পরিচয় বহন করে। ১৯৯১ সালে মোনবুশো বৃত্তি নিয়ে এদেশে আসেন, নাগানো জেলার শিনশু বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএস এবং পিএইচডি করেন। তারপর দেশে ফিরে গিয়ে ফাও/ইউএনডিপি প্রকল্পে জড়িত হন। ১৯৯৯ সালে মোনবুশো’র জাপান সোসাইটি ফর প্রমোশন অব সায়েন্স (জেএসপিএস) এর ডক্টরাল ফেলেশিপ নিয়ে আবার এদেশে আগমন। তারপর মিৎসুবিশি কর্পোরেশনের বায়োটেক প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। ফুড ও ড্রাগস নিরাপত্তা বিষয়েও তিনি দতা অর্জন করেছেন প্রচুর। এই সকল কৃতকর্মই তাকে কানাডার বায়োটেক কোম্পানি (www.lallemand.com) সিনিয়র ডিরেক্টরাল টেকনিকেল পদে কাজ করার প্রস্তাব প্রদান করলে তিনি ছেলেমেয়ের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ চিন্তা করে সেই প্রস্তাবে সাড়া দিয়েছেন। তাকে জানাচ্ছি ফুলেল অভিনন্দন।
তারপরও শোয়েব যেহেতু জাপান ও কানাডার স্থায়ী অভিবাসী তাই মাঝেমাঝে পা রাখবেন এদেশে আশা রাখি। সেই শুভদেখার প্রতীায় আমরা থাকব। শোয়েব, সপরিবার আপনি সুখী হোন, উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ঘটুক আপনার জীবনে এই কামনাই থাকল।
একটি শিশুকে বাঁচাতে প্রবাসীরা এগিয়ে আসুন!
একটি শিশু একটি মহাপ্রাণ। একটি সম্ভাবনা। মাত্র ৪ বছরের তানহা দূরারোগ্য ব্লাড ক্যান্সারে ভুগছে। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে সে এক বছর ধরে চিকিৎসাধীন। ব্যয়বহুল তার চিকিৎসার সাহায্যার্থে শিল্পী রুনা লায়লা আহবান জানিয়েছেন। প্রবাসীরা আসুন যে যার সামর্থ অনুযায়ী সাহায্যের বাড়িয়ে দিই ফুটফুটে শিশুকন্যাটির জীবন রার্থে এগিয়ে আসি। সাহায্য পাঠাবার ঠিকানা: নাহিদ জাবেদ, এসবি/অ্যাকাউন্ট নম্বর-৫৬৯৯৭, ইউসিবিএল ব্যাংক, কারওয়ানবাজার শাখা, ঢাকা।
|