|
তানিয়া ইসলাম মিথুন অঞ্চল ভিত্তিক খাবার রীতি আঞ্চলিক সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে। খাদ্য সংস্কৃতির আদীকাল থেকে প্রাত্যাহিক আহারের পাশাপাশি বিশেষ আহারও সংযুক্ত। তবে প্রাত্যহিক খাবারের ধারাই সমাজ জীবনের প্রধান চাহিদা। এর পূর্বশর্ত হচ্ছে সহজ লভ্যতা, সুলভ মুল্য। সহজে তৈরী করা যায় এবং সময়ের সঞ্চয়। দৈনন্দিন জীবনের আয় ব্যায় সেই সাথে খাদ্য বিজ্ঞানের সূত্র এবং শরীরের উপযোগিতার ভিত্তিতে প্রতিটি নাগরিকের খাদ্য তালিকা নির্ধারণ করা হয়।
ধনী দরিদ্র সমাজের আদিকাল থেকে সমান্তরাল দুটি রেখা। আয়ের সঙ্গে সঙ্গতী রেখে এই দুই শ্রেণীর মানুষ জীবনকে অগ্রসর করে থাকে। ভোজন বিলাস এবং ুধা নিবারন শব্দ দুটি অতি সহজেই শ্রেণী বিন্যাসকে সুনির্দিষ্ট করে। উচ্চ বিত্ত, মধ্য বিত্ত এবং নিু বিত্ত প্রধানত এ তিন শ্রেণীর মানুষই সমাজের অংশীদার। উচ্চ বিত্তরা করে ভোজন বিলাস, মধ্য বিত্তরা খায় খাদ্য, নিু বিত্তরা করে ুধা নিবারণ। তাই প্রতিদিন বাজারেও সর্ব শ্রেণীর উপার্জনকারীদের কথা মাথায় রেখেই ক্রয় বিক্রয় হয় সমস্ত পন্য।
তবে এেেত্র সুখকর দিকটি হচ্ছে যে, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান নিু কিংবা মধ্য বিত্তদের খাবার কেই মানব দেহের জন্য অতি উত্তম হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বিভিন্ন ধরনের শাক সব্জি থেকেও সহজ লভ্য গুড়া মাছ সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। মূলত স্বাস্থ্যকে সাবলিল, চলমান এবং সক্রিয় রাখতে হলে এই শাকসব্জি এবং গুড়া মাছই প্রধান উপাদেয়। তাই আজ তেমন একটি গুড়া মাছের রান্না পদ্ধতি তুলে ধরছি। যা সহজ লভ্য, সুলভ মুল্য এবং শরীরের জন্য সহায়ক।
রান্না পদ্ধতি কাকচি মাছের চঁড়চঁড়ী কাকচি মাছ ২৫০ গ্রাম বা সাগর পোনা ভাল করে বেজে ধুয়ে পরিস্কার করে আলাদা একটা পাত্রে তুলে রাখুন। এরপর একটি হাড়িতে আধা কাপ পেয়াজ কুচি, সরষে বাটা ১ চা চামচ, কাচামরিচ ৩/৪ টি, হলুদ গুড়া, মরিচ গুড়া, ধনিয়া গুড়া আধা চামচ করে দিন। সরিষার তেল বা সয়াবিন তেল আন্দাজ মত এবং লবন স্বাদ মত দিয়ে ভাল করে পেঁয়াজসহ মসলাগুলোকে মাখান। তারপর ধোয়া মাছগুলো মাখানো মসলার সাথে মিশিয়ে হালকা করে মাখান। অল্প একটু পানি দিন এর পর মাছটা ঢেকে চুলায় আগুন দিয়ে হাড়িটা চাপিয়ে দিন। চুলার আঁগুন কমিয়ে দিন। কিছুন পর একবার আলতো করে উল্টে দিন। পানি শুকিয়ে মাখা মাখা হয়ে গেলে চুলা বন্ধ করে দিন। ইচ্ছা হলে ধনে পাতা দিতে পারেন। ধনে পাতার সিজন-এ ধনে পাতা দিন।
|