|
বাংলাদেশ থেকে সম্মান পেলেন |
| Print | |
E-mail |
|
ড.ক্লিন্টন বি সিলি
যে কবির কবিতা নিয়ে আলোচনার শেষ নেই তিনি রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাশ। বরিশালে যাঁর জন্ম ১৮৯৯ সালে, মৃত্যু কলকাতায় ১৯৫৪ সালে। রহস্যময়, দুর্বোধ্য, জটিল ইত্যাদি অভিধায় অভিহিত যাঁর কাব্যভাবনা প্রবীণ-নবীন প্রায় সব কবিকে আচ্ছন্ন করে আছে আজও। আধুনিক মননশীলতার অধিকারী হয়েও তিনি যে গভীর, সূক্ষ্ম দৃষ্টি দিয়ে অবলোকন করেছেন বাংলার প্রকৃতিকে, নদীমাতৃক জলবায়ুর মানচিত্রকে, লোকজ সৌন্দর্যকে যা এককথায় বিরল বলতেই হবে। বহুমুখী মাত্রায় চলমান তাঁর কাব্যচিন-াকে অন্য ভাষায় রূপান-র কিংবা অনুবাদ করা নিঃসন্দেহে দুরূহ এবং জটিল কাজ।।
|
|
Read more...
|
|
|
বাংলা একাডেমীর ফেলোশিপে ভূষিত ড.কাজুও আজুমা |
| Print | |
E-mail |
|
পিবি সরকার
বাংলা ভাষা, সাহিত্য এবং রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে তাঁর কর্মসাধনা শুরু হয়েছিল ষাটের দশকে বাংলা ভাষা শিক্ষার মধ্য দিয়ে। ১৯৬৭ সালে তিনি শানি-নিকেতনের বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জাপানি বিভাগে অধ্যাপক হয়ে যান, সেখানে ছিলেন আড়াই বছর। এই সময় তিনি এবং তাঁর মহীয়সী স্ত্রী অধ্যাপিকা কেইকো আজুমা দুজনেই গভীরভাবে বাঁধা পড়েন বাঙালি ও বাঙালি সংস্কৃতির প্রীতিবন্ধনে। জাপানে ফিরে এসে ১৯৭১ সালে গঠন করেন ‘টেগোর সমিতি জাপান’, গ্রহণ করেন কিছু প্রকল্প। এর মধ্যে শুরু হয় বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ। জাপানে তিনি অন্যান্য প্রবাসী বাঙালি ও জাপানিদের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গঠন, শরণার্থীদের জন্য অর্থসংগ্রহ ইত্যাদি কাজে ব্যাপৃত হয়ে পড়েন। তার মধ্যেই চলতে থাকে তাঁর বাংলা সাহিত্য নিয়ে গভীর অভিনিবেশসহকারে পড়ালেখা, রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে গবেষণা। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাপানে রাষ্ট্রীয় সফরে এলে পরে তিনি তাঁর দোভাষী এবং সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন। তখনই বঙ্গবন্ধুর ভক্ত হিসেবে মুজিব-পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়েন। ১৯৭৫ সালে যখন বঙ্গবন্ধু নিহত হন বহু জাপানির মতো তিনিও গভীরভাবে মর্মাহত হয়েছিলেন। প্রায়শ তিনি বঙ্গবন্ধুকন্যাদ্বয়ের খোঁজখবর নিতেন। বাংলাদেশে এবং জাপানেও একাধিকবার তাঁদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।।
|
|
Read more...
|
|
দিনবদরের কারিগর |
| Print | |
E-mail |
|
মেগলিনা কুনেভা
ক্রেতা, ভোক্তারা শুধু যে পণ্যসামগ্রীই কিনবে তাদের কোনো অধিকার থাকবে না তা হতে পারে না। এর সঙ্গে মানবাধিকার বিষয়টিও জড়িত। ইউরোপে ভোক্তার অধিকার সংরক্ষণ নিয়ে সোচ্চার একজন মহিলা আইনজীবী মেগলিনা কুনেভা (৫২)। বুলগেরিয়ায় জন্ম এই নারী একজন রাজনীতিকও বটেন! তিনি বর্তমানে য়োরোপিয়ান কমিশনের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের কমিশনার। ।
ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বৈষম্য দূরীকরণ আন্দোলনে নিযুক্ত কুনেভা ১৯৮১ সালে বুলগেরিয়ার সোফিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি গ্রহণ ও ১৯৮৪ সালে ডক্টর অব ল সমাপ্ত করেন। এরপর সোফিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার পাশাপাশি জাতীয় বেতারে আইন বিষয়ক অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। আমেরিকার জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ে পররাষ্ট্র বিষয় এবং পরিবেশ আইন সম্পর্কে শিক্ষা গ্রহণ তাঁর জীবনের আর একটি উজ্জ্বল দিক। ।
|
|
Read more...
|
|
|
|
|
|