|
পল্লীতথ্যকেন্দ্র: উন্নয়নের আসল চাকা |
| Print | |
E-mail |
|
দশদিক প্রতিবেদন
পল্লী তথ্যকেন্দ্র, একটি নতুন উদ্যোগ। তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়নের েেত্র এই উদ্যোগের বিকল্প কিছু নেই। বর্তমান বিশ্ব যেমন কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ছাড়া অচল তেমনি বাংলাদেশের মতো কৃষিভিত্তিক দরিদ্র কিন্তু উন্নয়নশীল দেশগুলো টেলিযোগাযোগের মাধ্যমে অগ্রসর না হওয়া মানেই অচল। বাংলাদশের অধিকাংশ কৃষকই পাঠ্যপুস্তকের সঙ্গে পরিচিত নন, কিন্তু তাঁরা দৃষ্টিসম্পন্ন। তাঁরা দেখে বোঝার এবং জানার চেষ্টা করেন। কৃষিভিত্তিক মানবজাতির এঁরা আদি শিক যেমন আজকের যুগে প্রযুক্তিবিদ, বিজ্ঞানীরা যন্ত্রপাতির শিক। এই দুই মেরুর শিকরা যদি এগিয়ে আসেন যৌথভাবে দেশগঠন ও মানবসেবায় তাহলে বহুমুখী উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবেন, সাফল্য তো আসবেই।কিন্তু একা যেমন কিছু করা সম্ভব নয়, তাই প্রক্রিয়াটা হতে হবে আন্দোলনাকারে। এবং ুদ্র প্রচেষ্টা থেকেই শুরু করতে হবে। আর ুদ্র প্রচেষ্টাগুলোকে একটি নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র দ্বারা কাজের সমন্বয় না করলে অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হতে বাধ্য। গত দুদশকে বিশ্বব্যাপী টেলিযোগাযোগের েেত্র অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে এবং দেরিতে হলেও বাংলাদেশে সে
|
|
Read more...
|
|
|
ঘরেবাইরে ব্যবহারের জন্য হালকা, ফোল্ডিং চেয়ার এখন অনেকে দেশেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। সস্তা, যথেচ্ছ ব্যবহারযোগ্য, স্বস্তিকর, আরামদায়ক, রং এবং ডিজাইনযুক্ত চেয়ারের দিকেই এখন সাধারণ মানুষের দৃষ্টি। ঘরে, বারান্দায়, বাগানে রাখা ছাড়াও বনভোজন কিংবা সমুদ্রসৈকতে নিয়ে যাওয়ার জন্য বহনযোগ্য এই চেয়ারগুলো এখন আমেরিকা, ইউরোপে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। অ্যালমুনিয়ম, রাবার, প্লাস্টিক ইত্যাদি দিয়ে তৈরি নানা রঙের ব্রান্ডের এই চেয়ারগুলো যেমন টেকসই তেমনি তুলনামূলকভাবে সস্তাও।
|
|
ছোট ছোট বালুকণা বিন্দু বিন্দু জল.... |
| Print | |
E-mail |
|
বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে যে শিক্ষার বিকল্প কিছু নেই তা আর না বললেও চলে। বাংলাদেশের মতো একটি সমস্যাজর্জরিত ভূখন্ডে কীভাবে ১৫ কোটি লোক বসবাস করছে ভাবলে আশ্চর্য না হয়ে পারা যায় না। শুধু সরকারই নয়, জাতিসংঘ, বিশ্বের ধনীদেশগুলোর সাহায্য ব্যতিরেকে অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবী, অলাভজনক সংস'া-সংগঠন কাজ করছে প্রত্যন- অঞ্চলে ১৯৭২ সাল থেকেই।।
স্বস্বাধীনতার ৩৮ বছর পরও এদেশে শিক্ষিতের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে ধীরে ধীরে। এর জন্য রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ এবং ধর্মীয় সমস্যাই দায়ী। কিন' শিক্ষিতের হার বৃদ্ধি পেলেও বেকার সমস্যা একটি গুরুতর সমস্যা। পর্যাপ্ত কর্মসংস'ান না থাকার মূল কারণ শিল্পায়নের অভাব। একটি দেশের কর্মক্ষম জনসংখ্যা কাজ করে সাধারণত উৎপানদশীল খাত বিশেষ করে কৃষি এবং কল-কারখানায়। কিন' দুঃখের বিষয় বিগত
৩৮ বছরেও এসব ক্ষেত্রে আশানুরূপ উন্নতি হয়নি। ফলে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার তরুণ প্রজন্মকে বহির্বিশ্বে যেতে হচ্ছে শ্রমবিক্রির জন্য। জাতি হিসেবে এটা মোটেই গর্বের বিষয় নয়, কিন' গত্যন-র নেই। প্রবাসীদের রেমিটেন্সই বাংলাদেশের অসি-ত্ব। ্ব।
মানুষের কাজ করার ইচ্ছে প্রবল। কিন' প্রকৃত নেতৃত্ব না থাকার কারণে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ নেই বললেই চলে। জোর যার মুল্লুক তার এই মধ্যযুগীয় সমাজ ব্যবস'ায় একুশ শতকে এসে বাংলাদেশের আমজনতা মাথা কুটে মরছে। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ কবে হবে জানি না, তবে বর্তমানে দেশীয় উদ্যোগ ও কর্মকান্ডের চেয়ে বহিরাগতদের সমর্থনে পরিচালিত উন্নয়নই অগ্রসরমান।।
বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়নে কত সংখ্যক বিদেশী সংস'া কাজ করছে সে পরিসংখ্যান অজানা। তবে ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করলে ভুরি ভুরি সংস'া-সংগঠনের তথ্য বেরিয়ে পড়ে। কত না প্রত্যন- অঞ্চল কত না প্রকল্প! অনেকে মনে করেন, স্বাধীনতার পর দেশী-বিদেশী এনজিও- গুলোর বদৌলতে বাংলাদেশের গ্রামেগঞ্জে, প্রত্যন- অঞ্চলে শিশুশিক্ষার হার বেড়েছে। এইসব সংস'াগুলোর কর্মক্ষেত্র মূলত গ্রামভিত্তিক। এ পর্যন- কতগুলো সংস'া সুফল এনেছে বা উন্নয়ন ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী ফলাফল রেখেছে বলা মুশকিল। বিপ্লব ঘটিয়েছে গ্রামীণ ব্যাংক। যে কারণে বিশ্বব্যাপী এর সুনাম নোবেল শানি- পুরস্কার পর্যন- ছিনিয়ে এনেছে।।
এই সংখ্যার ঘরেবাইরে বিভাগে আলোচ্য বিষয় ১৯৭১ সাল থেকে বাংলাদেশে কর্মরত সিআরএস (ঈধঃযড়ষরপ জবষরবভ ঝবৎারপবং=ঈজঝ) এর কর্মকান্ড। বাংলাদেশে এর এজেন্সি হচ্ছে বহুশ্রুত প্রতিষ্ঠান কারিতাস। প্রত্যন- এবং পাহাড়ি অঞ্চলেই এদের প্রকল্পগুলো চলছে।।
|
|
Read more...
|
|
|
|
|
|