
সময়রে ডায়রেি
|
এনজিও বা NGO=Non-governmental Organi- zation প্রকৃতপে কবে কোথায় প্রথম গঠিত হয়েছিল তা জানি না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পরই জাপানে গঠিত হয়েছিল জাপান ইউনেসকো যা ছিল প্রথম এনজিও সংস্থা। অশেষ ভূমিকা রেখেছিল এদেশে অতীত সাংস্কৃতিক সম্পদ সংরণে। পরবর্তীকালে বহির্বিশ্বে অনেক কাজ করেছে এখনো করছে। বাংলাদেশের প্রথম এনজিও কোন্টি তাও সুস্পষ্ট নয়। তবে যতখানি জানা যায়, ‘শাপলা নীড়’ নামে একটি জাপানি এনজিও স্বাধীনতার পর পরই বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে নিররতা দূরীকরণ প্রকল্প স্থাপনের মাধ্যমে। এখনো এটি বাংলাদেশের একাধিক গ্রামে কর্মরত পাশাপাশি নেপাল ও আফগানিস্তানেও কর্মকান্ড সম্প্রসারিত করেছে। তারপর দ্রুত গতিতে অনেক বাংলাদেশী এবং বিদেশী এনজিও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিদেশী এনজিওর সংখ্যা এখন দুশ ছাড়িয়ে গেছে। দেশীয় এনজিওর সংখ্যা দুহাজারের বেশি। নতুন নতুন এনজিও স্থাপিত হচ্ছে। পাশাপাশি এনপিও বা Non-profit Organization সংস্থাও গঠিত হচ্ছে ।
১৯৯০ সালে সরকার বাধ্য হয়ে এনজিও ব্যুরো স্থাপন করে সরকারি কাঠামোর মধ্যে। গ্রামীণ ব্যাংক, ব্রাক, আশা বাংলাদেশের বড় বড় এনজিও হিসেবে পরিচিত। এইসব এনজিওর মধ্যে সবগুলো ভালো তা বলা যাবে না, এনজিওর কর্মকান্ড নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। তবে কিছু এনজিও যে গ্রামীণ বাংলার শিা, শিশু-নারী ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা ও অসামান্য অবদান রেখেছে এটা স্বীকার করতে হবে। তাছাড়া এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক-সাংস্কৃতিক সম্পর্ক, মতবিনিময় ঘটছে যাকে বহুমুখী সেতুবন্ধনও বলা যেতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশে কতগুলো এনজিও আছে তার একটি পরিসংখ্যান এখানে তুলে ধরা হল:
স্লাইস টাচস্ক্রীণ ক্যামেরা
ডিজিটাল যুগের ক্যামেরা সবই হালকা, চওড়া-ফালি আকারে তৈরি হচ্ছে। ফলে নানাদিক দিয়েই ব্যবহারোপযোগী হয়ে উঠছে এগুলো। মূল্য যা-ই হোক না কেন, এগুলোর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে নানা রকম প্রযুক্তি এবং ডিজাইন। সাম্প্রতিককালে জাপানি মেকারগুলো নতুন একটি ব্যবসায়িক ধারা প্রবর্তন করেছে সেটি হল: ডিজিটাল ক্যামেরার সঙ্গে সেট হিসেবে কালার প্রিন্টার ও ডিজিটাল ডিসপ্লেসহ বিক্রি করা। তারই অনুসৃত নতুন ক্যামেরা-সেট তৈরি করেছে আমেরিকার বিখ্যাত কোডাক কোম্পানি।
সানিয়ো’ার নতুন একো কার
Lithium-ion ব্যাটারি বদলে দেবে আগামী দিনের মোটরশিল্পকে। সানয়ো কোম্পানি এই ব্যাটারি-চালিত মোটর গাড়ি ২০১২ সালে উৎপাদন শুরু করতে যাচ্ছে। এই গাড়ির গতিবেগ হবে ঘন্টায় ৩০০ মাইলের বেশি। মূলত বৈদ্যুতিকশক্তি ধারণকৃত উক্ত ব্যাটারি-চালিত গাড়ি সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এবং মূল্য থাকবে সাধারণ মানুষের ক্রয় মতার মধ্যে। ইতিমধ্যে কোম্পানিটি ২.১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। ল্য হচ্ছে ২০২০ সালের মধ্যে বিশ্ববাজারের ৪০% দখল করা।
ফ্যাশনে আমেরিকার নারী সমাজ বিশ্বফ্যাশনের আধুনিকতার জন্মস্থান হলো ইতালির ফোরেন্স, রোম এবং ফ্রান্সের প্যারিস মহানগর। পোশাকজাতীয় ফ্যাশন এখানে জন্ম নিয়ে প্রচারিত ও প্রসারিত হয় আমেরিকায়। এই দেশে যত ফ্যাশন শো করা যাবে ততই খ্যাতি ও কদরের সীমানা বিস্তৃত হবে। শতবর্ষের ব্যবধানে নারীজগতে পোশাকি ফ্যাশনের মর্যাদা আজ অনন্য এক পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে। কয়েক বিলিয়ন ডলারের বাজার হচ্ছে আজকের পোশাকি ফ্যাশন। প্রাচীন ফ্যাশনহাউসগুলো ইউরোপ ছাড়িয়ে বহু বছর আগেই মুক্তচিন্তা ও স্বাধীনতার প্রতীক ‘স্ট্যাচু অব লিবার্টি’র মূর্তি স্থাপিত আমেরিকাতে স্থানান্তরিত হয়। চলমান বিশ্বের স্নায়ুকেন্দ্র বলে পরিচিত নিউইয়র্ক মহানগরে নতুন ফ্যাশনের সরব আগমন যেমন বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে তেমনি ফ্যাশনহাউসগুলো প্রতিদিন উৎসব উৎসব আমেজে রমরমা থাকে। আবার ফ্যাশনবিষয়ক জাদুঘরের মিলনায়তনে চলে চমৎকার সব সংগৃহীত পোশাকাদি এবং ঐতিহাসিক আলোকচিত্রর প্রদর্শনী। সম্প্রতি তেমনি একটি ফ্যাশন শো-তে উপরোক্ত পোশাক মঞ্চে ঝলসে উঠেছে। যে পোশাকি ফ্যাশনে শুধু অভিজাত শ্রেণীর সৌখিনতাকেই ফুটিয়ে তোলেনি ৫/৬০ বছর আগেও, আমেরিকার কর্মজীবী, পেশাজীবী মহিলাদের ব্যক্তিত্ব ও আধ্যাত্মিক চেতনাকে ধারণ করেছিল। অতীত হারিয়ে গেলেও তার গন্ধ-নির্যাস থেকে যায় বলেই আমাদেরকে আজও মোহিত করে।
পাখির মতো আকাশে ওড়ার ইচ্ছে মানুষের আদিকাল থেকেই সক্রিয়। কিন্তু তার জন্য দরকার ওজনের ভারসাম্য রা ও গতিশক্তির। আমেরিকার রাইটব্রাদার্স আকাশের ওড়ার যান্ত্রিক বাহন উড়োজাহাজ উদ্ভাবন করে মানুষের ইচ্ছেশক্তিকে আরও কয়েক ধাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল। সেই থেকে বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদদের গবেষণা চলে আসছে লাগাতার--কীভাবে বায়ু কেটে ও মধ্যাকর্ষণ শক্তির উপর ভারসাম্য রেখে শূন্যে চলাচল করা যায়। তারই ফলশ্র“তিতে এখন উদ্ভাবিত হয়েছে জ্যাটপ্যাক! জেট-বিমানের কারিগরিকে কাজে লাগানো হয়েছে এই যন্ত্রটিতে।
|
|
|
|
|

Designed & Developed by Doshdik Media Ltd.
House# 2, Road# 7, Sector# 3, Uttara Model Town, Dhaka-1230, Bangladesh
Phone: +880-2-8919351, +880-2-8919351, +880-2-8956608, +880-2-8956608, Fax: +880-2-8963402,
E-mail: info@doshdik.com
Doshdik Media Limited. All rights reserved.