|
পঞ্চগড়ে চা চাষে বিপ্লব |
| Print | |
E-mail |
|
দুই শতাধিক বাগানে বছরে গড় উৎপাদন ৫ লাখ কেজি
দেশের উত্তরের জনপদ পঞ্চগড় জেলায় চা চাষে বিপ্লব ঘটে গেছে। ১৫ বছর আগেও যা ছিল মানুষের কল্পনার অতীত। উত্তরের শেষ জনপদ তেঁতুলিয়ায় বর্তমানে বৃহৎ ১৯টি এস্টেটসহ দুই শতাধিক ছোট-বড় বাগানে চা চাষ হচ্ছে। এখানকার তিনটি চা প্রক্রিয়াজাত কারখানায় গত বছর প্রায় সাড়ে ৬ লাখ কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে। বাগানগুলোতে প্রতিবছর গড়ে ৫ লাখ ৩৭ হাজার কেজি চা উৎপাদন হচ্ছে।
তেঁতুলিয়া থেকে ভারতের দার্জিলিংয়ের দূরত্ব ৫০ কিলোমিটার। এই দার্জিলিংয়ে বিশ্বের সেরা চা উৎপন্ন হয়ে থাকে। আমাদের দেশের উত্তরাঞ্চলে যে চা উৎপাদন হতে পারে তা কারো মাথায় আসেনি। ১৯৯৬ সালে প্রথমবার প্রধানমন্ত্রী হয়ে শেখ হাসিনা পঞ্চগড় সফরে যান। এ সময় তার মাথায় আসে দার্জিলিংয়ে যদি চা হতে পারে তবে মাত্র ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে পঞ্চগড় জেলায় কেন হবে না। তিনি পঞ্চগড়ের তৎকালীন জেলা প্রশাসকের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন এবং এই জলবায়ুতে চা চাষ সম্ভব কিনা তা পরীা করে দেখার নির্দেশ দেন। জেলা প্রশাসক চায়ের চারা সংগ্রহ করে টবে লাগান। দুইটি পাতা একটি কুঁড়ির গাছ ধীরে ধীরে বেড়ে ওঠে। গাছ পরিপূর্ণতা পেলে তিনি টবসহ চা গাছ ঢাকায় এনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেখান। প্রধানমন্ত্রী উৎসাহিত হয়ে ওই এলাকায় চা চাষে উদ্ধুদ্ধকরণের জন্য জেলা প্রশাসক এবং চা বোর্ড কর্তৃপকে নির্দেশ দেন। এরপর বেসরকারি উদ্যোগে শুরু হয় চা চাষ। পঞ্চগড়ে চা বিপ্লব শুরু কাহিনীটি সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে বর্ণনা করেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী।
দুইটি পাতা একটি কুঁড়ির শহর হিসাবে খ্যাত বৃহত্তর সিলেট ও চট্টগ্রামের পর এবার চায়ের নতুন ঠিকানা হয়েছে পঞ্চগড়। মাটি পরীা-নিরীা ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষ করে ২০০০ সালের এপ্রিল মাসে তেঁতুলিয়া টি কোম্পানি প্রথম চা চারা আনুষ্ঠানিকভাবে রোপণের মাধ্যমে এ এলাকায় চা চাষের গোড়াপত্তন করে। মাত্র দুই বছরের মধ্যেই তেঁতুলিয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ গোচারণ ভূমি চায়ের সবুজ পাতায় ভরে যায়। সৃষ্টি হয় সবুজের সমারোহ। চা বোর্ডের পরামর্শ ও প্রযুক্তি সহায়তায় এগিয়ে আসে স্থানীয় ুদ্র চা চাষীরা। বাগান মালিকদের পাশাপাশি তারাও চায়ের চাষ শুরু করে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমানে তেঁতুলিয়ায় চা চাষ হচ্ছে তিন ক্যাটাগরিতে। পাঁচ একরের নিচে ১৮২ জন স্মল গ্রোয়ার্স ১৬৪ হেক্টর জমিতে, পাঁচ থেকে ২০ একরের মধ্যে ১১ জন স্মল গ্রোয়ার্স ৪৪ দশমিক ৩ হেক্টর জমিতে এবং ১৯টি এস্টেটে ৭২১ দশমিক ৪২ হেক্টরসহ মোট ২ হাজার ২৯৮ একর জমিতে চা চাষ হচ্ছে। চলতি বছর জুন পর্যন্ত এখানকার চা বাগানগুলো থেকে উৎপাদিত মোট ৮ লাখ ৭৫ হাজার ৬২৪ কেজি কাঁচা চা পাতা পঞ্চগড়ের তিনটি চা প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় বিক্রি হয়েছে, যা থেকে উৎপাদন হয়েছে ২ লাখ ১ হাজার ৬৪৩ কেজি চা।
এখানকার তিনটি কারখানায় ২০০৫ সালে ১ লাখ ৬১ হাজার ২২৬ কেজি, ২০০৬ সালে ২ লাখ ৮২ হাজার ৭২১ কেজি, ২০০৭ সালে ৩ লাখ ৯১ হাজার ২৩৭ কেজি, ২০০৮ সালে ৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩২৪ কেজি এবং ২০০৯ সালে ৬ লাখ ৫৮ হাজার ৭২৪ কেজি মেড টি উৎপাদিত হয়। প্রতিবছর এখানে চায়ের উৎপাদন বাড়ছে।
চা চাষী মতিয়ার রহমান জানান, এক একর জমিতে চা চাষ করতে ৩০ হাজার টাকার প্রয়োজন। কিন্তু ব্যাংক ঋণ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, ঋণ প্রস্তাব, চা বোর্ডের অনুমতিসহ বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করতে সময় বেশি লাগায় নতুন করে কেউ আর চা চাষে এগিয়ে আসছে না। তিনি বলেন, কৃষকদের প্রয়োজনীয় কীটনাশক ও সারসহ কৃষি উপকরণ সহজ শর্তে দেয়া হলে চা চাষের পরিধি অনেক বাড়বে। তাছাড়া তিনি চা পাতার মূল্য বাড়ানোরও দাবি জানিয়েছেন।
|
|
|
প্রতিরক্ষা ও পরমাণু চুক্তি সই করেছে ভারত-ব্রিটেন |
| Print | |
E-mail |
|
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের সফরকালে গত বুধবার ভারতের সঙ্গে ব্রিটেনের ১১০ কোটি ডলারের প্রতিরা ও বেসামরিক পরমাণু চুক্তি স্বারিত হয়েছে। ইউরোপের সবচেয়ে বড় প্রতিরা সরঞ্জাম সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বিএই সিস্টেমস ও ভারতের রাষ্ট্র পরিচালিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রোলস রয়েস ১১০ কোটি ডলারের এ প্রতিরা চুক্তি স্বার করেছে। এ চুক্তির আওতায় ভারত পাবে ৫৭টি জঙ্গি বিমান। এছাড়া ভারতের বেসামরিক পরমাণু প্রকল্পে সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য তাদের কোম্পানিগুলোকে অনুমোদন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। ভারতে পরমাণু প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম সরবরাহের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে কোম্পানিগুলোকে সরবরাহের অনুমোদন দেয়ার এ সিদ্ধান্ত নিতে রাজি হয়েছেন ক্যামেরন। গত মে মাসে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারতে তার প্রথম সফরে ক্যামেরনের সঙ্গে এসেছেন ব্রিটেনের ছয় মন্ত্রী ও শীর্ষ কোম্পানিগুলোর ৩০ জনেরও বেশি ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধি। এ সফরকালে ক্যামেরন ভারতের প্রতিপ রাষ্ট্র পাকিস্তান সম্পর্কে বলেন, পাকিস্তানের সন্ত্রাসী রপ্তানি করা উচিত নয়। তিনি বলেন, মুম্বাই হামলার অপরাধীদের শাস্তি পেতেই হবে। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারত ও ব্রিটেনের একযোগে কাজ করার কথা জানান তিনি।
cÖwZi¶v I cigvYy Pzw³ mB K‡i‡Q fviZ-weª‡Ub
weª‡U‡bi cÖavbgš¿x †WwfW K¨v‡gi‡bi mdiKv‡j MZ eyaevi fvi‡Zi m‡½ weª‡U‡bi 110 †KvwU Wjv‡ii cÖwZi¶v I †emvgwiK cigvYy Pzw³ ¯^v¶wiZ n‡q‡Q| BD‡iv‡ci me‡P‡q eo cÖwZi¶v miÄvg mieivnKvix cÖwZôvb weGB wm‡÷gm I fvi‡Zi ivóª cwiPvwjZ e¨emv cÖwZôvb †ivjm i‡qm 110 †KvwU Wjv‡ii G cÖwZi¶v Pzw³ ¯^v¶i K‡i‡Q| G Pzw³i AvIZvq fviZ cv‡e 57wU Rw½ wegvb|
GQvov fvi‡Zi †emvgwiK cigvYy cÖK‡í miÄvg mieiv‡ni Rb¨ Zv‡`i †Kv¤úvwb¸‡jv‡K Aby‡gv`b †`qvi wm×vš— wb‡q‡Q weªwUk miKvi| fvi‡Z cigvYy cÖhyw³ I miÄvg mieiv‡ni wb‡lavÁv cÖZ¨vnvi K‡i †Kv¤úvwb¸‡jv‡K mieiv‡ni Aby‡gv`b †`qvi G wm×vš— wb‡Z ivwR n‡q‡Qb K¨v‡gib|
MZ †g gv‡m cÖavbgš¿xi `vwqZ¡ MÖn‡Yi ci fvi‡Z Zvi cÖ_g md‡i K¨v‡gi‡bi m‡½ G‡m‡Qb weª‡U‡bi Qq gš¿x I kxl© †Kv¤úvwb¸‡jvi 30 R‡biI †ewk EaŸ©Zb cÖwZwbwa| G mdiKv‡j K¨v‡gib fvi‡Zi cÖwZc¶ ivóª cvwK¯—vb m¤ú‡K© e‡jb, cvwK¯—v‡bi mš¿vmx ißvwb Kiv DwPZ bq|
wZwb e‡jb, gy¤^vB nvgjvi Acivax‡`i kvw¯— †c‡ZB n‡e| mš¿v‡mi wei“‡× fviZ I weª‡U‡bi GK‡hv‡M KvR Kivi K_v Rvbvb wZwb|
|
|
বাঘের খোঁজে হেলিকপ্টার |
| Print | |
E-mail |
|
দক্ষিন আফ্রিকার পুলিশ ও বন্যপ্রাণী সংরণ কর্মকর্তারা গত বুধবার পালিয়ে যাওয়া একটি বাঘকে খুঁজে বের করতে হেলিকপ্টার নিয়ে তল্লাশি শুরু করে। দেশটির বন্যপ্রাণী সংরণ ব্যবস্থাপক ব্রেন্ডা স্যান্তোন বলেন, আমরা এখনো বাঘটিকে খুঁজছি। বাঘটির খোঁজে পুলিশ কর্মকর্তারা এখনো তল্লাশি চালাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, আমরা বাঘটির সন্ধান পেতে প্রয়োজনীয় বেশ কিছু চিহ্ন পেয়েছি। কিন্তু সেগুলো এখনো আমাদের সঠিক কোনো তথ্য দিতে পারেনি।
১৭ মাস বয়সী পাঞ্জো নামের এ বাঘটি গত মঙ্গলবার স্প্রিঞ্জ শহরের একটি পশু চিকিৎসালয়ে নেওয়ার পথে পিক আপ ভ্যানের পেছন থেকে লাফিয়ে পড়ে পালিয়ে যায়। বাঘটির মালিক রোসে ফার্নান্দেজ ওইদিন স্থানীয় বেতারকে বলেন, ৩১০ পাউন্ড ওজনের পাঞ্জো নামের বাঘটি কিভাবে পিক আপের তালা খুলল তা আমার মাথায় আসছে না।
রোসে বলেন, কেউ বাঘটিকে দেখলে তার দিকে একটি লাঠি তুলে নো বলে জোরে চিৎকার করবেন অথবা তার উদ্দেশ্যে মুরগী ছুড়ে মারবেন।
বাঘ আফ্রিকার প্রাণী নয়। তবে দণি আফ্রিকা বিরল প্রজাতির বাঘের বংশবৃদ্ধির জন্য সংরণ প্রকল্প চালায়।
|
|
|
|
|
|