|
নাট্যকার রোকেয়ার সাথে এক বৃষ্টিমুখর সন্ধ্যায় |
| Print | |
E-mail |
|
সীমান- হক
 মানব চরিত্র নানা বিষয়বৈচিত্র আর জটিলতার মিশেল। চোখ মেললেই এসব চরিত্রের সাথে আমাদের কারো না কারো যোগাযোগ প্রেম পরিচয় ভালোবাসা ভালোলাগা ঘটে। মানুষের জীবনের সব পরিণতি কি সুখকর না বেদনায় ভরপুর অথচ সুখের সুদৃশ্য মোড়কে আচ্ছাদিত জীবনচক্র। এ অপার বেদনাভার নির্ণয়ে কিংবা কষ্টের তুলিতে মুখের প্রতিচ্ছবি আকঁতে কজন সিদ্ধ। সে অন-র্জালা বুঝবার অন-র্দৃষ্টিই বা কজনের আছে। তেমনি একজন রোকেয়া ইসলাম। নাট্যঅঙ্গনের এক পরিচিত মুখ। সমপ্রতি বৃষ্টিমুখর এক উষ্ণ সন্ধ্যায় দশদিকের পক্ষ থেকে নবীন নাট্যকার সীমান- হক-এর সাথে নাটক, নাটকের বর্তমান ও ভবিষ্যত নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন তিনি। এ আড্ডার সারসংক্ষেপ পাঠকদের জন্য পত্রস' করা হল।
লেখালেখির শুরু কখন কিভাবে? আসলে প্রতিটি মানুষই হল কবি , পড়তে পড়তেই নিজের ভেতর জন্ম নেয় কিছু অধরা বোধ, যা কাউ কেই বলা যায়না। কাগজে লেখা যায় সে ভাবেই লিখতে শুরু করি নিজের অজানে-ই, ৭২ সালে দেশ সবেমাত্র স্বাধীন হয়েছে। আমাদের পাড়ার ছেলেরা একুশে সংকলন বের করবে একটা কবিতা চাইলো। ছাপাও হল।
তখন কি নিয়মিত লিখতেন ? অজানে-র লেখা কি নিয়মিত হয়? স্কুলে পড়াকালীন সময়েই আমার বিয়ে হয়ে যায় । বিয়ে হলেও একাডিমীক পড়াশোনাটা ছাড়িনি।
তাহলে কি লেখা-লেখি ছাড়লেন ? ছাড়লাম ঠিক না। বিরতি দিলাম বলতে পারেন সংসার স্বামী সন-ান ও পড়াশোনা। সব মিলে জীবন যুদ্ধে লড়ছি। এর ফাকে খাতায় লিখছি সময় পেলেই।
আবার শুরু করলেন কিভাবে? ১৯৯৪ সালে ছড়াকার গোলাম রব্বানী রতন আমার একটা পুরানো খাতায় এলোমেলো কিছু লেখা দেখে গল্প লেখতে বলে। ওর জোড় তাগাদায় শুরু করলাম লেখা। একদিন একটা পত্রিকা এনে দেখায় আমার একটা গল্প ছাপা হয়েছে তাতে। সেই লেখাটা আমার বাবাকে পড়তে দেই, পড়ে উনি কেঁদে ফেলেন, বাবার চোখের সেই অশ্রু বিন্দুই পরে আমাকে লিখতে সাহায্য উৎসাহ যুগিয়েছে। শুরু করেছিলেন কবিতা দিয়ে কিন' গ্রন' এলো গল্পের । আর এখন আপনি নাট্যকার? আমি কোন পরিকল্পনামাফিক লিখিনা। যখন যা ভাবনায় আসে তাই লিখে রাখি। গল্প লিখতেই আমি স্বাছন্দ বোধ করি। তবে এখন নাটক বেশি লিখছি।
|
|
Read more...
|