দশদিক মহাদেশ

হোম অর্থনীতিরেমিটেন্সকে ‘বন্ড’ আকারে বাজারে ছাড়ার পরামর্শ মসিউরের

রেমিটেন্সকে ‘বন্ড’ আকারে বাজারে ছাড়ার পরামর্শ মসিউরের

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মসিউর রহমান প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সকে আরো বিনিয়োগমুখী করতে একে ডলারের মাধ্যমে ‘বন্ড’ আকারে বাজারে ছাড়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের বৈদেশিক আয়ের ৮ শতাংশ আসে রেমিটেন্স থেকে। কিন্তু এর ৬ শতাংশ চলে যায় ভোগব্যয়ের পেছনে। বিনিয়োগ হয় মাত্র ২ শতাংশ। এই আয়কে আরো বিনিয়োগমুখী করতে সরকার একটি যথার্থ প্রতিষ্ঠান গঠন করে রেমিটেন্সকে বন্ড আকারে বাজারে ছাড়তে পারে। এতে রেমিটেন্স ভোগব্যয়ের পেছনে খরচ না হয়ে বিনিয়োগ হবে।’

রোববার রাজধানীর শেরেবাংলানগর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি শক্তিশালীকরণে অভিবাসীদের অবদান’ শীর্ষক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট এন্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল) এবং ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি এই বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব বেগম শামছুন নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ইউনাইটেড কমার্সিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান এম এ সবুর, বোয়েসেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মরণ কুমার চক্রবর্তী, ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ কিরণ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

মসিউর রহমান বলেন, প্রবাসীরা তার পরিবারের নারী সদস্যদের আত্মনির্ভরশীল হতে সাহায্য করছে। পুরুষ সদস্যের অবর্তমানে প্রবাসী পরিবারের নারীরা আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠে, যা রেমিটেন্সের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি নারী ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখছে।

অনুষ্ঠানে প্রবাসী কল্যাণ সচিব বেগম শামছুন নাহার বলেন, বাংলাদেশে প্রতিবছর ২০ লাখ নতুন শ্রমশক্তি যোগ হচ্ছে। এর মধ্যে ৫ থেকে ৬ লাখ শ্রমিককে আমরা প্রতিবছর বিদেশে পাঠাতে পারছি। তবে তিনি আরো দক্ষ অভিবাসী শ্রমিক প্রেরণে প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, সৌদি আরবে নারী কর্মীরা বিনা খরচে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি এখন ওমান ও কাতারে বিনা খরচে পুরুষ কর্মী যাওয়া শুরু করেছে।সরকার আরো কয়েকটি দেশে বিনা খরচে শ্রমিক পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে বলে তিনি জানান।
বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন এন্ড টেকনোলজি এবং ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে অভিবাসন প্রক্রিয়াকে আরো স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করার আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বিতার্কিকদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করা হয়। -বাসস


পাতাটি ৪৬৮ বার প্রদর্শিত হয়েছে।