দশদিক মহাদেশ

হোম জাপানে মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

জাপানে মহান জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন

-দশদিক প্রতিবেদক:: যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে জাপানে। এর আয়োজক ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল জাপান শাখা। দিবসটির তাৎপর্যে জাপান বিএনপি এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে। ১৩ নভেম্বর ২০১৬ রোববার সন্ধ্যায় টোকিওর কিতা-সিটি হিগাশি জুজো ফুরেআইকান-এ আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় দূর-দূরান্ত থেকে বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনসমূহের শতাধিক নেতাকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

সংগঠনের সভাপতি নূর-এ-আলম (নুর আলী) এর সভাপতিত্বে সভাটি পরিচালনা করেন নুর খান রনি এবং ফয়সাল সালাউদ্দিন তুষার। এ সময় মঞ্চে আরও উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা কাজী এনামুল হক, সহ-সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন, আলমগীর হোসেন মিঠু এবং সাধারণ সম্পাদক মীর রেজাউল করিম রেজা। পবিত্র কোরান তেলোয়াতের মধ্য দিয়ে সভার কাজ শুরু করা হয়। কোরান তেলোয়াত করেন আনোয়ার হোসেন রেজা। তিনি দোয়া মাহফিলও পরিচালনা করেন।

দিবসটির তাৎপর্যে আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন মাসুদ পারভেজ, তৌহিদুল ইসলাম হেলাল, সহিদুল ইসলাম, ফয়সাল ভুইয়া, সাদেকুল হায়দার বাবলু, মাসুদ আলম, নাহিদ কামাল, মোস্তাফিজুর রহমান জনি, হায়দার হোসেন, আবুল খায়ের, তৌহিদুল আলম রিপন, আবুল হাইউল রুবেল, এটিএম জামাল, ইঞ্জিনিয়ার সোহাগ সিদ্দিকী, বিল্লাল হোসেন, দেলোয়ার হোসেন মোল্লা, জসীম উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, জাকির হোসেন মাসুম, নুর খান রনি, সালাউদ্দিন ফয়সাল তুষার, আলমগীর হোসেন মিঠু, কাজী এনামুল হক, মোফাজ্জল হোসেন, মীর রেজাউল করিম রেজা এবং নুর-এ-আলম প্রমুখ। সভায় বর্তমানের এই ক্রান্তিলগ্নে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানানো হয়।
বক্তরা বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে স্বাধীনতাকামী সৈনিক, জনগণ এককাতারে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সাম্রাজ্যবাদ, আধিপত্যবাদ এবং দেশি-বিদেশি সব ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুসংহত রেখেছিলেন। ৭ নভেম্বর ’৭৫ থেকেই আধুনিক বাংলাদেশের নতুন অধ্যায়ের শুরু হয়েছিল।
তারা বলেন, দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিয়ে সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেয়া বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বন্দিশালা থেকে উদ্ধার করে যদি সেদিন না আনা হতো তাহলে বাংলাদেশের ইতিহাস আজ ভিন্নভাবে লিখা হতো। সেদিন জিয়াউর রহমান জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন, উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে একটি স্বাধীন স্বতন্ত্র জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিল।

অত্যন্ত দুঃখের বিষয় আজ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের উত্তরসূরি উপাধি নিয়ে যারা দিনটিকে অবমূল্যায়ন করছেন তারা আসলে বঙ্গবন্ধু আদর্শের নয়। কারণ, ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু নিজেই আওয়ামী লীগ বিলুপ্ত করে বাকশাল গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ১৯৭৮ সালের সেপ্টেম্বর বিএনপির জন্ম হলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্রের সুযোগ নিয়ে তোফায়েল, সাজেদা চৌধুরী এবং আমুর আবেদনের প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগ পুনরায় রাজনীতি করার সুযোগ পায়। কাজেই বর্তমান আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ নয়। তোফায়েল-সাজেদা-আমুর বঞ্চিত আওয়ামী লীগ সেই আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ নয়। তোফায়েল-সাজেদা-আমুর নিবন্ধিত আওয়ামী লীগ ৭ নভেম্বরকে এমনি ভয় পায় যে সমাবেশ এর অনুমতি মিলেনি।
সব শেষে সদ্য প্রয়াত (৪ নভেম্বর ’১৬) বিএনপির গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এবং প্রাক্তন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী জিয়াউল হাসান জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে এবং তার আত্মার শান্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ আবুল খায়ের। -ছবি: রাহমান মনি, সৌজন্যে সাপ্তাহিক।

(বি:দ্র: দশদিকের ডিসেম্বর সংখ্যায় সংবাদটি তথ্যগত ভুল থাকায় সংবাদটি পুন: প্রকাশ করা হলো। এই ত্রুটির জন্য আমারা আন্তরিক ভাবে দু:খিত। -নির্বাহী, সম্পাদক ।)


পাতাটি ৬০০ বার প্রদর্শিত হয়েছে।