Untitled Document
Make Doshdik your homepage
Untitled Document
 
 
 
You are visitor number 84729You are visitor number 84729You are visitor number 84729You are visitor number 84729You are visitor number 84729
 
     
 
2010-01-19
ইয়েমেন পরিস্থিতি সংকটাপন্নঃ সমাধান কোন্ পথে ?
 
  আশরাফুর রহমান আকন্দ (লেখক : প্রবাসী সা  
  গত আগস্ট মাসের গোড়ার দিকে ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চলীয় সা’দআ (Houthi) প্রদেশে হুথি (Sa ‘ada) গোত্রের জাইদী শিয়া যোদ্ধাদের সাথে ইয়েমেনের সরকারি সেনা ও সৌদি বাহিনীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনের হিসেব অনুযায়ী, উত্তর ইয়েমেনের ১ লক্ষ ৭৫ হাজার শিয়া মুসলমান সংঘর্ষের কারণে শরণার্থী পরিণত হয়েছে। এছাড়া হতাহত হয়েছে নারী, শিশুসহ হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ। গ্রামগুলো পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্ত্তপে। দেখা দিয়েছে মানবিক বিপর্যয়। ইউনিসেফ শরণার্থী শিশুদের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পেছনে ফিরে দেখা ২০০৪ সালের জুন মাসে জাইদী শিয়াদের নেতা হোসেন আল হুথি ইয়েমেন সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র আন্দোলন শুরু করেন। ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ইয়েমেনি বাহিনী হোসেন আল হুথিকে হত্যা করে। তিনি খুন হওয়ার পর হুথি বিদ্রোহীরা সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে। ইয়েমেনের সেনাবাহিনী ২০০৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত ইয়েমেনের সেনাবাহিনী ২০০৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৬ বার শিয়া মুসলমানদের ওপর কঠোর দমন অভিযান চালিয়েছে। কোনো কোনো সূত্র জানিয়েছে, এসব যুদ্ধে এ পর্যন্ত উভয়পক্ষের প্রায় ৪ হাজার ব্যক্তি নিহত হয়েছে। ২০০৪ সালে এ সংঘর্ষের সূচনা হলেও সম্প্রতি তা নতুন পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। বিশেষ করে সৌদি বিমান বাহিনী হুথি যোদ্ধাদের অবস্থানের ওপর বোমা হামলা শুরু করলে সংঘর্ষ তীব্র আকার ধারণ করে। সৌদি সরকার বহু আগে থেকে ইয়েমেনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ শুরু করেছে। ১৯৬২ সালে সৌদি আরবে গৃহযুদ্ধ শুরু হলে সৌদি আরব উত্তর ইয়েমেনকে এবং মিশর দক্ষিণ ইয়েমেনকে সমর্থন জানায়। পরস্পরবিরোধী এই সমর্থনের কারণে ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয় এবং জানমালের ব্যাপক ক্ষতি হয়। ১৯৯০ সালে দুই ইয়েমেনের একীভূত হয় যাওয়ার মাধ্যমে গৃহযুদ্ধের অবসান হলেও সৌদি আরব দেশটির ৩টি প্রদেশকে ইয়েমেন সরকারের কাছে হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানায়। ফলে দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরব ইয়েমেনকে অর্থনৈতিক সহযোগিতার আশ্বাস দেয়ার মাধ্যমে প্রদেশ তিনটিকে নিজের সীমান্তে রেখে দিতে সক্ষম হয়। (রেডিও তেহরান) ইয়েমেন সরকার ও হুথি যোদ্ধাদের মধ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠত হোক সৌদি আরব তা চায় না। রিয়াদ বরং উত্তরাঞ্চলের শিয়া যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সানা সরকারকে উস্কানি দেয়। এ কারণে কাতারের মধ্যস্থতায় হুথি যোদ্ধাদের সাথে স্থাপিত সর্বশেষ শান্তি চুক্তি লংঘন করে ইয়েমেন সরকার দেশের উত্তরাঞ্চলে যুদ্ধ শুরু করে। বিস্ময়ের ব্যাপার হলো, এবারই প্রথম সৌদি আরব আল হুথি যোদ্ধাদের দমন করার জন্য ইয়েমেনের সীমান্ত অতিক্রম করে দেশটিতে স্থল ও নৌ সেনাদের পাঠিয়েছে। ইয়েমেনের পরিচিত ও হুথি আন্দোলন ইয়েমেন মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ। এটি আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত। সুউচ্চ পবর্তমালা ইয়েমেনের উপকূলীয় সমভূমিকে অভ্যন্তরীণ জনবিরল মরুভূমি থেকে পৃথক করেছে। ১৯৯০ সালে ইয়েমেন আরব প্রজাতন্ত্র (উত্তর ইয়েমেন) এবং গণপ্রজাতন্ত্রী ইয়েমেন (দক্ষিণ ইয়েমেন) দেশ দুইটিকে একত্রিত করে ইয়েমেন প্রজাতন্ত্র গঠন করা হয়। সানা’আ ইয়েমেন প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। ইয়েমেনের পশ্চিমে লোহিত সাগর এবং দক্ষিণে এডেন উপসাগর। দেশের উত্তর ও উত্তর পূর্বে সৌদি আরব এবং পূর্বে ওমান অবস্থিত। সৌদি আরব ও ওমানই ইয়েমেনের প্রতিবেশী রাষ্ট্র। ইয়েমেনের সরকারি হিসেব মতে, দেশটির মোট জনসংখ্যার শতকরা ৩৫ ভাগ শিয়া মুসলমান, তবে কোনো কোনো সূত্রে এই সংখ্যা শতকরা ৪৫ ভাগ উল্লেখ করেছে। এছাড়া ইয়েমেনের সংখ্যাগুরু সুন্নী মুসলমানরা শাফি মাযহাবের অনুসারী। জাইদি শিয়া মাযহাবের সাথে শাফি মাযহাবের অনেক ক্ষেত্রে বিশ্বাসগত মিল রয়েছে। হুথিরাও শিয়া মুসলমান সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত। উত্তর ইয়েমেনের শিয়া আলেম বদর উদ্দিন উল হুথির নাম অনুসারে এই প্রতিরোধ আন্দোলনের নামকরণ করা হয়েছে। বদর উদ্দিন আল হুথির এক ছেলে হোসেন আল হুথি সরকারি বাহিনীর হাতে এর আগেই নিহত হয়েছেন। অপর ছেলে আব্দুল মালিক আল হুথি বর্তমানে এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, তারা ইরানসহ এ অঞ্চলের শিয়াদের সমর্থন পাচ্ছে। তবে হুথিরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করছে। সরকার ও হুথিদের মধ্যে টানাপোড়েনের নেপথ্যে ইয়েমেন সরকার জাইদি শিয়াদের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে কোনঠাসা করে রেখেছে বলে হুথিরা অভিযোগ করে আসছে। বিশ্লেষকরাও বলছেন, শিয়া মুসলমানদের সাথে সানা সরকারের চরম বৈষম্যমূলক আচরণের ফলে দেশটির উত্তরাঞ্চলে দারিদ্র্য বৃদ্ধি পেয়েছে। কৌশলগত লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত ইয়েমেনে ব্যাপক খনিজ সম্পদ থাকা সত্ত্বেও দেশটি দরিদ্র দেশ হিসেবে পরিচিত। ব্যাপক দুর্নীতি ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে দেশটির দারিদ্র্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি ইংরেজী দৈনিক ইয়েমেনের সাম্প্রতিক সংকটের কারণ উদঘাটন করতে গিয়ে লিখেছে, ‘সরকারের বিভিন্ন সেক্টরে ব্যাপক দুর্নীতি এবং কেন্দ্রীয় সরকারের অদক্ষতার কারণে ইয়েমেনের দারিদ্র্য এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে, অনেক মানুষের মৌলিক অধিকার পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না।’ আর দেশটির শিয়া মুসলমানদের অবস্থা যে অন্য সবার চেয়ে শোচনীয় তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। দারিদ্রে্যর পাশাপাশি ইয়েমেনের শিয়া জনগোষ্ঠি চরম অবিচর ও বৈষম্যের শিকার। সরকারি অফিস আদালতে চাকরি পেতে তাদের নানারকম হয়রানির শিকার হতে হয় এবং তাদের মৌলিক চাহিদাগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় না। চিত্ত বিনোদনের ব্যবস্থা তাদের জন্য নেই বললেই চলে। এসব বৈষম্যের কারণে শিয়া মুসলমানেদের সাথে ইয়েমেনের সরকারের দূরত্ব ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে এবং সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়েছে। অপারেশন স্কোরচেড আর্থ ও সৌদি আরবের সম্পৃক্ততা ইয়েমেনের সান’আ প্রদেশের হুথি যোদ্ধাদের নির্মূলের লক্ষ্যে সান’আ সরকার এবার যে অভিযান শুরু করেছে তার নাম দেয়া হয়েছে ‘অপারেমন স্কোরচেড আর্থ।’ ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট আলী আবদুল¬াহ সালেহ নিজে একজন জাইদি শিয়া হওয়া সত্ত্বেও হুথিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত এবারের সেনা অভিযান সম্পর্কে বলেছেন, ‘সাদ্আ প্রদেশ থেকে হুথি গোত্রের শিয়াদের নির্মূল না করা পর্যন্ত সেখানে কোনো সমঝোতা বা ঐক্যের পদক্ষেপ নেয়া হবে না। তারা যতদিন তাদের বিশ্বাসঘাতকতা, অত্যাচারী কার্যকলাপ বন্ধ না করবে ততদিন তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম চলবে।’ (২ ডিসেম্বর, আল জাজিরা) ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট হুথিদের উপর হামলার জন্য সৌদি আরবের একটি ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি চায়। সৌদি আরব ইয়েমেন সীমান্তের জাবাল দোখান ঘাঁটিটি ইয়েমনকে ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার পরপরই হুথিরা তা দখল করে নেয়। এরপর এই অজুহাতে সৌদি আরব হুথিদের উপর সরাসরি হামলা শুরু করে। ইয়েমেনের শিয়ারা তাদের অধিকার আদায় করতে পারলে সৌদি আরবের শিয়ারাও তাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেমে পড়তে পারে--এ আশঙ্কা থেকেই সৌদি আরব শিয়াবিরোধী অভিযানে ইয়েমেনকে সহযোগিতা করছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। অন্যদিকে ইয়েমেন সরকারের লক্ষ্য সম্পর্কে গত ৩০ অক্টোবর দৈনিক প্রথম আলোর এক নিবন্ধে বলা হয়েছে, ‘ইয়েমেন সরকারের অনেকে এমন কথা বলছেন, এ যুদ্ধ কোনো সুনির্দিষ্ট এলাকার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার জন্য নয়, বরং প্রেসিডেন্ট সালেহ্ তাঁর সামরিক শক্তিকে জাহির করতে চান। আবার অনেকে বলছেন, রাজধানী সানায় জঙ্গি তৎপরতা ও রাজনৈতিক বিরোধিতা জোরালো হওয়ার মুখে সালেহ্ সরকার এ লড়াইয়ে লিপ্ত হয়েছে।’ সানা সরকার যে লক্ষ্যেই এ যুদ্ধ শুরু করুক না কেন, গত কয়েক মাসের অভিযানের পরও সফলতা না পাওয়ায় বোঝা যাচ্ছে, হুথি যোদ্ধাদের দমন করা অত সহজ নয়। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, হুথি যোদ্ধারা রণকৌশলে অত্যন্ত পারদর্শী এবং সৌদি-ইয়েমেন সীমান্তবর্তী সা’আদা পাবর্ত্য এলাকা তাদের নখদর্পনে রয়েছে। ফলে এ যুদ্ধ আরো দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার প্রতিক্রিয়া কেবল হুথিরাই নয়, বিশ্বের আরো কিছু সংগঠন ও দেশ ইয়েমেনের সাদ’আ প্রদেশের সৌদী আরবের হামলার বিরোধিতা করেছে। ইসলামী সম্মেলন সংস্থা বা ওআইসির মহাসচিব একমালুদ্দিন এহসানওগলু ইয়েমেনে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার আহবান জানিয়েছেন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সা’আদা প্রদেশে সৌদি বিমান হামলায় বেসামরিক নাগরিক হতাহতের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। মিশরীয় ব্রাদারহুডের নেতা মোহাম্মদ মাহদি আকেফ সৌদি বাদশাহ আব্দুল¬াহর কাছে লেখা এক চিঠিতে ইয়েমেনে মুসলমান তথা বেসামরিক মানুষ হত্যা বন্ধে যুদ্ধের পরিসমাপ্তি টানার আহবান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘সৌদি আরব সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের পদক্ষেপ নেবে বলেই সবাই আশা করেছিল।’ ইরান ইয়েমেনের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার জন্য সৌদি আরবের নিন্দা করে বলেছে, ‘মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করবেন না।’ ইরানীয় সংসদের স্পীকার আলি লারিজানি আরো বলেছেন, ‘সৌদি আরব ইয়েমেনের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ার ফলে সেখানকার পরিস্থিতির আরো অবনিত ঘটেছে।......ইয়েমেনে এক অসম যুদ্ধ চলছে। সবচেয়ে বিস্ময়কর ব্যাপারে হচ্ছে, একটি মুসলিম দেশ হবার পরও সৌদি আরব এ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে এবং সেখানে মুসলমানদের হত্যা করছে।’ (৫ ডিসেম্বর, রেডিও তেহরান)। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মানুচেহের মোত্তাকীও বলেছেন, ‘ইয়েমেনের আভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার অধিকার কোনো দেশেরই নেই। ইয়েমেনের অখন্ডতার প্রতি সকল দেশেরই সম্মান দেখানো উচিত।’ (১০ ডিসেম্বর, প্রেসটিভি) এদিকে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ ইয়েমেনের ঐক্যের ওপর গুরুত্বরোপ করে বলেছেন, ‘ইয়েমেনের ঐক্য, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য সংলাপই সর্বোত্তম পন্থা।’ তিনি দামেস্কে ইয়েমেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবু বকর আল কিবরীর সাথে বৈঠককালে ইয়েমেনের আভ্যন্তরীণ ব্যাপারে সিরিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ প্রত্যাখান করেন। (২১ অক্টোবর, আরব নিউজ এজেন্সী)। সংকট চরমে ইয়েমেনের সেনাবাহিনী স্থল ও আকাশপথে শুধু আল হুথি যোদ্ধাদের উপরই হামলা চালাচ্ছে না, একইসাথে বেসামরিক এলাকার ওপরও হামলা চালাচ্ছে। ফলে হাজার হাজার মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে বনে জঙ্গলে আশ্রয় নিয়েছে। কোনো কোনো আন্তর্জাতিক সংগঠন ইয়েমেনের শিয়া মুসলমানদের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক বলে উলে¬খ করেছে। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাই কমিশনার ইউ.ইন.এইচ.সি.আর এক প্রতিবেদনে উত্তর ইয়েমেনের সা’আদা শহরের পরিস্থিতিকে ভয়াবহ বলে উলে¬খ করেছেন। ঐ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সা’আদা শহরের সাথে বহির্বিশ্বের যোগাযোগ কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। জাতিসংঘ বলেছে, সা’আদায় আটকে পড়া লোকজন এখন আর শহর ত্যাগ করতে পারছে না এবং ঐ শহরের পরিস্থিতি অত্যন্ত সংকটাপন্ন। আল জাযিরা নিউজ চ্যানেল সম্প্রতি এক সচিত্র প্রতিবেদনে বলেছে, ইয়েমেনের সেনাবাহিনী জাইদি শিয়াবিরোধী অভিযানে ফসফরাস বোমা ব্যবহার করছে। সমাধান কোন পথে ? ইয়েমেন সরকার হুথিদের বিরুদ্ধে যে অভিযান চালাচ্ছে তা সফল হলেও শিয়া জনগোষ্ঠির প্রতি সরকারের যে বৈষম্য রয়েছে তা দূর করা না হলে সরকার বিরোধী আন্দোলন পরবর্তীতে বিপদ ডেকে আনতে পারে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। তাদের মতে, ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধে সৌদি আরব জড়িয়ে পড়ায় সমস্যার সমাধান আরও জটিল হয়ে পড়েছে এবং তা কোনো পক্ষের জন্যই কল্যাণ বয়ে আনবে না। সৌদি আরব হুথিদের উপর হামলার মাধ্যমে মারাত্নক ভুল করেছে বলেই তারা মনে করছেন। তাই অবিলম্বে সৌদি সেনা প্রত্যাহার করা উচিত। রাজনৈতিক বিশে¬ষকরা আরও মনে করছেন, ইয়েমেনের সরকার জনগণের সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত না করার কারণেই দেশটিতে বর্তমান সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এ অবস্থায় ইয়েমেন সরকারের উচিত আলোচনা মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা।
 
 
 
     
[Back]  
Untitled Document
 
 
Designed & Developed by Doshdik Media Ltd.
Japan address:
Akiba Mitaki-kan, 4F,Sotokanda 4-5-5,Chiyoda-ku,Tokyo 101-0021, Japan
Phone: +81-3-3255-5861 Fax: +81-3-3255-5862 E-mail: info@doshdik.com
Bangladesh Address:
House# 2, Road# 7, Sector# 3, Uttara Model Town, Dhaka-1230, Bangladesh Phone: +880-2-8919351,
+880-2-8956608,Fax: +880-2-8963402,E-mail: info@doshdik.com
Home | About Us| Advertise | Terms & Conditions| Contact Us
©Doshdik Media Limited. All rights reserved.