Untitled Document
Make Doshdik your homepage
Untitled Document
 
 
 
You are visitor number 84759You are visitor number 84759You are visitor number 84759You are visitor number 84759You are visitor number 84759
 
     
 
2010-01-20
‘পর্দায় ভেসে-ওঠা মানুষ’ ভাবতে ইচ্ছে করেনি কখনও নিজেকে -তৌসিফ সাঈদ
 
   
  সেলুলয়েডের লাস্য-লীলায় লটকে থাকে দৃষ্টিপিপাসু চোখ; মুগ্ধ-বিস্মিত দর্শক-স্রোতা প্রায়শ জানে না কোন দক্ষ হাতের কারু সংকেতে চলচ্চিত্র খুঁজে পায় তার সুষম নির্মিতি। ঘোর-লাগা সৃজন-স্পৃহায় তবু পর্দার পেছনে সক্রিয় এইসব নিবেদিত চিত্রকারিগর। ‘অন্তরালের কুশীলব’ অভিধায় যাদের চিহ্নিত করা চলে, তাঁদের এক সমকালীন প্রতিনিধি তৌসিফ সাঈদ। ‘চলার পথে চলচ্চিত্র’ - এমন এক ভ্রমচারী শ্লোগান মুখে পুরে সম্প্রতি তিনি শুরু করেছেন ঝঃৎববঃ ঈরহবসধ গড়াবসবহঃ - সীমিত পুঁজির সাহজিয়া সংগ্রাম, প্রত্যন্ত বাংলার পথে প্রান্তরে। নরেন্দ্রনাথ মিত্রের ‘রস’ গল্পের চিত্রায়নে যিনি ইতোমধ্যে নেমে পড়েছেন লক্ষ্যসিদ্ধির উদ্বোধনী আয়োজনে। জম্পেস আড্ডার অন্তরঙ্গ মুহূর্তে চলচ্চিত্রের নানা প্রসঙ্গে দশদিকে’র পক্ষে তাঁর সাথে আলাপচারিতায় অংশ নিয়েছেন মৃধা আলাউদ্দিন। আলো-আধারির সেলুলয়েড-হাতছানি আপনাকে প্রথম কবে তার আপন পরিধিতে বরণ করে নেয়? ঘটনার পেছনে লুকিয়ে থাকা গল্পের খসড়াটুকু আমাদেরকে বলুন। একটি ভ্রূণ, মনের গর্ভে, আকাঙ্খার। জানান দেয় তার অস্তিত্ব। পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র তখন আমি। একদিন অন্ধকারের শরীর হাতড়ে সিনেমা হলের পেটের ভেতর ঢুকে পড়ি ধীর পায়ে। কালো কুয়াশা ভেদ করে দৃষ্টিতে এতোটুকু দূরের বস্ত্তও ওঠে না ভেসে। না দেখা টর্চের একফালি আলোয় খুঁজে নিই কুঁজো বুড়ির মতো বসে থাকা অসহায় একটি চেয়ার। আর তাতে শরীরটাকে বসিয়ে দিই কোনমতে। চোখের পর্দায় ছবি ভেসে না উঠলেও মনের পর্দায় কিলবিল করে স্বপ্ন। হঠাৎ আলোর ঝলকানিতে চোখ ঝলসে যায়। এই প্রথম দেখা, পর্দায় ভেসে ওঠে আমার দেশের ছবি - পতাকা - যার সবুজ বুকে ভেসে আছে রক্ত-রাঙা সূর্য। দাঁড়িয়ে সম্মান জানাই, অন্য সবার মতো। যদিও কিছু লোক দাঁড়ায়ইনি। তখন বুঝিনি, কিন্তু এখন বুঝি তাদের না দাঁড়ানোর কারণ। চোখের ভেতর হারায় পতাকা। সময়ের হাত ধরে চলতে শুরু করে ছবি। দৃষ্টি গেঁথে যায় পর্দায়। একের পর এক অজানা রহস্য উদঘাটনে ব্যস্ত হয়ে ওঠে মন। কিন্তু রহস্যের মায়াজালে আটকে থাকা ছাড়া করা হয়ে ওঠে না কিছুই। ভাবনার স্রোতে ভাসতে থাকি। বরাদ্ধকৃত সময় শেষ হয়ে যায়। নিজেকে বের করে আনি সিনেমা হলের খাঁচা থেকে। কিন্তু বুকের খাঁচায় আটকা পড়ে তরতাজা স্বপ্ন, নতুন জিজ্ঞাসা। মূলত সেই প্রথম সিনেমা দেখার পরই মনে প্রশ্ন জাগে, এ কী করে সম্ভব। আরও নানা প্রশ্ন ঘোরাঘুরি করতে থাকে মনের চোরাগলিতে। চিন্তার গোলকে জায়গা করে নেয় একটি আত্ম-জিজ্ঞাসা - আমিও কি পারবো? ‘পর্দায় ভেসে-ওঠা মানুষ’ ভাবতে ইচ্ছে করেনি কখনও নিজেকে। বরং ক্যামেরার তুলি দিয়ে যত্নের কালিতে সিনেমা-পর্দার সাদা জমিনে নতুন নতুন অজস্র ছবি অাঁকার চিন্তাই দখল করে নিয়েছিলো আমাকে সেদিন। ঢাকাবাস। পড়াশোনার পাশাপাশি উদীচীতে একটি নাট্যকর্মশালায় অংশ নিই। যদিও সার্টিফিকেট পাওয়া পর্যন্ত নিজেকে সেখানে আটকাতে পারিনি। ভাবনার সুতোয় গাঁথা যার সিনেমা, সিনেমার ডাক কী সে উপেক্ষা করতে পারে? অন্য কেউ পারলেও; আমি তা পারিনি। ১০,অক্টোবর ১৯৯৯ - স্মৃতির পাতায় লেখা একটি বিশেষ দিন। এই দিনেই প্রথম সিনেমায় কাজ করা শুরু হয় আমার। যদিও কাজটি ছিলো সিনেমার জন্য রেকর্ডকৃত একটি গানের লিখিত কপি থেকে আর একটি কপি করে দেয়া। তারপর পর্যায়ক্রমে শু্যটিং, এডিটিং, ডাবিং ও অন্যান্য কাজ। এভাবেই পূর্ণতা পায় আকাঙ্খা নামক সেই ভ্রূণ। যা এখন দাঁড়াতে চেষ্টা করছে। হাটতেও শিখবে একদিন হয়তো। বহুস্তরীয় পর্যাবৃত্তি ও সমন্বয়ের সিঁড়ি বেয়ে পরিণত বিকাশের দিকে এগিয়ে চলার যে শিল্পমাধ্যম - চলচ্চিত্র - তাতে কাজ করতে এসে শিল্পের অন্যান্য শাখার মৌল ধারণা কীভাবে একজন চলচ্চিত্র নির্মাতাকে সাহায্য করে বলে আপনি মনে করেন? আপনার ব্যক্তিগত প্রেক্ষাপটে বিষয়টি খুলে বলবেন কি? চলচ্চিত্রকে বলা হয় কম্বাইন্ড আর্ট। একের পক্ষে যেমন একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ সম্ভব নয় তেমনি শিল্প-সাহিত্যের শুধু কোন একটি বিশেষ শাখার জ্ঞানও চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য যথেষ্ট হতে পারে না। সব শাখার মৌল ধারণাই চলচ্চিত্র হয়ে ওঠার নিয়ামক। ‘মানুষ’ শব্দটি বলতেই প্রথমে একটি দেহচিত্র ভেসে ওঠে চোখের পর্দায়। আর অনেকগুলো আলাদা আলাদা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নিয়ে যেমন গড়ে ওঠে দেহ নামক এই ছবিটি তেমনি শিল্প সাহিত্যের সব শাখা-প্রশাখার সমন্বয়েই গড়ে ওঠে চলচ্চিত্রের দেহ। তাই চলচ্চিত্রকে বলা হয় শিল্পের শিল্প। কেউ কেউ আবার বলে থাকেন, সব বিষয়ে ধারণা না রেখেও তো চলচ্চিত্র নির্মাণ সম্ভব। স্বীকার করি তা। তবে একটি হাত অথবা পা-বিহীন মানুষও যেমন মানুষ, সেই চলচ্চিত্রও তেমনি চলচ্চিত্র। তাকে কি পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র বলা যেতে পারে? চলচ্চিত্র যেমন শিল্পের শিল্প; তেমনি একজন চলচ্চিত্র নির্মাতাও সব শিল্পীর শিল্পী। তিনি হচ্ছে সমন্বয়ক। একজন চিত্রশিল্পী যেমন রঙের সাথে রঙ মিশিয়ে নতুন রঙ তৈরি করেন তেমনি একজন চলচ্চিত্র নির্মাতাও শিল্পের সব শাখাকে সমন্বয় করে তৈরি করেন একটি শিল্পিত চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্র শিল্পোত্তীর্ণ হতে পারে কোন কোন শর্তের অধীনে? অথবা আদৌ কোন সূত্রবিধি এক্ষেত্রে কাজ করে কি? শিল্পিত যা, তাই শিল্প। বিষেশ কোন শর্তের অধীনে তাকে শিল্প হতে হয় না। কাক ও কোকিল দু’ই কালো। কিন্তু কন্ঠের বিষেশত্বই তাদেরকে আলাদা করে দেয়। একটি সাধারণ চলচ্চিত্র ও শিল্পোত্তীর্ণ চলচ্চিত্রের পার্থক্যও তেমন বলে আমার মনে হয়। আপনার তত্ত্বজ্ঞান কীভাবে আপনার ব্যবহারিক অভিজ্ঞতাকে শীলিত করে? চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে খুব বেশি শিক্ষা এবং নামিদামি প্রতিষ্ঠানের বড় বড় ডিগ্রির প্রয়োজন না থাকলেও জ্ঞানের প্রয়োজন অপরিহার্য বলে আমি মনে করি। তাকিয়ে থাকা আর দেখা এক না। শিক্ষা আমাদেরকে সাহায্য করে তাকিয়ে থাকতে আর জ্ঞান, দেখতে। কোন শিল্পীর হাতে ধারালো চাকুর মত কাজ করে জ্ঞান। যা দিয়ে তিনি অসুন্দরকে ছেঁটে ফেলে বের করে আনেন লুকোনো সৌন্দর্য। জ্ঞান এমন এক চাবি যা দিয়ে অশিল্পের দরজায় আটা তালা খুলে শিল্পের রাজ্যে ঢুকে পড়তে পারেন একজন শিল্পী। প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা বলে যে বস্ত্তুটির কথা প্রায়শ বলা হয়, সেটা আসলে কি? সীমাবদ্ধতার স্বরূপটা যদি একটু ব্যাখ্যা করেন। আধুনিক বিশ্বে সময়ের দান প্রযুক্তির ব্যবহারকে আমি অস্বীকার করতে চাই না অথবা করতে পারিও না। আবার এও বলতে চাইনা যে, প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার করণে কোন সৃষ্টি থেমে থাকবে। সৃষ্টি তার আপন গতিতেই চলবে। কেউ কেউ প্রায়শ বলে থাকেন প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণেই আমরা আজ এতটা পিছিয়ে আছি। আবার অনেকই অভিযোগ করেন প্রযুক্তি মানবিক অনুভূতি কেড়ে নিচ্ছে। আমি তাদের কারও সাথেই একমত হতে পারি না। প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার ছাড়াও এমন সৃষ্টি সম্ভব, যা সব যুক্তির দেয়াল ডিঙিয়ে মনের সূক্ষ্ণতন্ত্রীতে আঘাত করতে সক্ষম। আবার তার উল্টোটাও সম্ভব। একটি কার্টুন ছবিও পারে আমাদেরকে জাগিয়ে দিতে, হাসাতে, কাঁদাতে। মূল বিষয় হচ্ছে আপনি কি করতে চাচ্ছেন। চাওয়াটাকে ধরতে পারলেই হয়। শিল্পের আবেদন আর বাণিজ্যের চাহিদা - এ দু’টি বিষয়ের সমন্বয় একজন নির্মাতা কিভাবে করতে পারেন? সব শিল্পই বাণিজ্যের অধীন। কিন্তু শিল্পের আবেদন চিরস্থায়ী; বাণিজ্যের চাহিদা আগ্রাসী এবং ক্ষণস্থায়ী। একটি শিল্পোত্তীর্ণ ছবিও যেমন বাণিজ্য-সফল হতে পারে, তেমনি একটি সাধারণ মানের সস্তা-বিনোদনসর্বস্ব ছবিও পেতে পারে বাণিজ্য সফলতা। বাণিজ্যিক সাফল্য দিয়ে ছবির বিচার করা সম্ভব না। নির্মাতা যে ভূ-খন্ডে, যে ভাষাভাষী মানুষের জন্য ছবি নির্মাণ করবেন তাদের মনস্তত্ত্ব বুঝে ছবি নির্মাণ করলে তা সফলতা পাওয়ার সম্ভবনা থাকে। প্রকৃত শিল্পী শিল্পের হাতে হাত রেখেই পৌঁছে যান সাফল্যের চূড়ায়। প্রচলধারা ও বিকল্পধারা- দু’টি প্রত্যয়ের উদ্ভব কতটুকু অনিবার্য, কোন প্রেক্ষাপটে? প্রচলধারা এবং বিকল্পধারা - দু’টি প্রত্যয়ের কোনটির পক্ষেই আমি অবস্থান নিতে চাইনা এবং এর কোন ব্যাখ্যা দেয়ার আগ্রহও নেই আমার। চলচ্চিত্রকে যদি একটি ‘দেহ’ কল্পনা করি আর সেই দেহ থেকে হাত-পা কেটে আলাদা করে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিই, তাহালে নিশ্চয়ই সেই দেহ চলার শক্তি হারাবে। চলচ্চিত্রে কোন ধারা-উপধারা থাকা উচিৎ না। চলচ্চিত্র চলচ্চিত্রই। ফরমেটে পার্থক্য থাকতেই পারে। যতো বেশি ধারা-উপধারায় ভাগ করা হবে, ততো বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে চলচ্চিত্র। দু’ধরনের চলচ্চিত্র হতে পারে বলে আমার বিশ্বাস- গুড ফিল্ম এবং ব্যাড ফিল্ম। আপনার ‘চলার পথে চলচ্চিত্র’ - ঝঃৎববঃ ঈরহবসধ গড়াবসবহঃ - এর জন্মরহস্য, বেড়ে ওঠা ও চলতে শুরু করার ব্যপারে কিছু বলুন। যাত্রা শুরুর সহযাত্রী হচ্ছেন কারা? আমার স্বপ্ন-সাধনা, ধ্যান-জ্ঞান, ভালোলাগা-ভালোবাসা সবই চলচ্চিত্রকে কেন্দ্র করে। আমি কি করতে পারবো জানি না। তবে কিছু একটা করতে হবে এ তাগিদ অনুভব করি প্রতিনিয়ত। ভাবনার সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে ঢুকে যাই কল্পনার রাজ্যে। রাস্তায় ঘুরে ঘুরে চলচ্চিত্র নির্মাণের কথা মাথায় আসে। বিষয়টা নিয়ে আমার বন্ধু ফারহান ইশরাকের সাথে কথা বলি। ও শুনে খুব খুশি হয়। এরপর আরেক বন্ধু শাহদাতের সাথেও আলাপ করি। মোবাইলে জানাই আমার আরেক কাছের মানুষ হাসান মাহমুদ টিপুকে। বাড়তে থাকে আগ্রহের গতি। আমরা একটি সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ছবি নির্মাণের কথা ভাবি। শ্লোগান ঠিক হয় ‘চলার পথে চলচ্চিত্র’ - ঝঃৎববঃ ঈরহবসধ গড়াবসবহঃ। আমাদের নিজেদের যেহেতু অতো টাকা নেই, তাই অন্যান্য বন্ধুর সাথে কথা বলি। সবাই আমাকে সাহস যোগায়। বন্ধু প্রবীর কর্মকার (আমার প্রতি যার ভালোবাসার শেষ নেই) হাত বাড়ায় সহযোগিতার। সাহস এসে জমতে থাকে মনের কোণে। যার কথা না বললেই নয় তিনি কবি ও নজরুল-গবেষক মজিদ মাহমুদ ভাই; তার আশ্বাস এবং ভালোবাসায় আমাদের স্বপ্ন দাঁড়াতে চেষ্টা করছে। যতদূর জানি, নতুন বছর ২০১০-এ ছবি-নির্মাণ কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন। এ ব্যাপারে জানার আগ্রহ চেপে রাখতে পারছি না। নতুনকে তো নতুন কিছু দিয়েই বরণ করতে হয়। বছরের শুরুতে যেহেতু শীত, তাই ভাবছি এই ঋতুর শ্রেষ্ঠ উপহার, দুধেল গাভীর মতো, খেজুর গাছের ওলান থেকে চুইয়ে পড়া মিষ্টি রস আর তা থেকে বানানো পাটালী গুড় দিয়ে নতুন বছরকে বরণ করা হলে মন্দ হয় না। ওস্তাদ গাছি নরেন্দ্রনাথ মিত্রের কাছ থেকে শেখা বিদ্যা নিয়ে গাছি তৌসিফ সাঈদ ২০১০-এর শুরুর দিকেই খেজুর গাছের ওলান থেকে রস বের করে আনার প্রস্ত্ততি নিচ্ছি। আর আমাকে সাহায্য করার জন্যে তো মোতালেফ, মাজু খাতুন ও ফুলবানুরা আছেই। রসে’র (নরেন্দ্রনাথ মিত্রের ‘রস’ গল্পের চিত্ররূপ) স্বাদ নেয়ার দাওয়াত রইলো সবার জন্যে। আপনার সামনে চলচ্চিত্র শিল্পের কোন ধরনের ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে বলে ধারণা করতে পারেন? প্রথমেই বলে নিই আমি একজন আশাবাদী মানুষ। সুন্দর, শুভ এবং যা কিছু ভালো তাকে স্বাগত জানানোর জন্য সব সময় প্রস্ত্তত আমি। তাই ধারণা নয়, আমি মনে করি ভবিষ্যতে এদেশে অনেক শিল্পমাণসমৃদ্ধ ছবি নির্মিত হবে এবং এক সময় অশিল্পের রাহুগ্রাস থেকে চলচ্চিত্রশিল্প মুক্ত হবেই।
 
 
 
     
[Back]  
Untitled Document
 
 
Designed & Developed by Doshdik Media Ltd.
Japan address:
Akiba Mitaki-kan, 4F,Sotokanda 4-5-5,Chiyoda-ku,Tokyo 101-0021, Japan
Phone: +81-3-3255-5861 Fax: +81-3-3255-5862 E-mail: info@doshdik.com
Bangladesh Address:
House# 2, Road# 7, Sector# 3, Uttara Model Town, Dhaka-1230, Bangladesh Phone: +880-2-8919351,
+880-2-8956608,Fax: +880-2-8963402,E-mail: info@doshdik.com
Home | About Us| Advertise | Terms & Conditions| Contact Us
©Doshdik Media Limited. All rights reserved.