|
Untitled Document
|
|
Untitled Document
|
|
|
|
 |
|
2010-02-24 |
|
মানবজাতির ভবিষ্যত রূপকার
এ্যালভিন টফলার |
|
|
|
|
|
|
স্কোয়াড্রন লিডার আহ্সানউল্লাহ (অবসর |
|
|
|
|
ভূমিকা
এ্যালভিন টফলার একজন ভবিষ্যবাদী, কনসালটেন্সি ফার্ম ‘টফলার এন্ড এসোসিয়েটস’- এর প্রধান, বিপুল জনপ্রিয় বেস্ট সেলার দুই বই ঋঁঃঁৎব ঝযড়পশ ও ঞযব ঞযরৎফ ডধাব সহ এক ডজনেরও বেশী জনপ্রিয় বইয়ের লেখক, রাসেল সেইজ ফাউন্ডেসনের ভিজিটিং স্কলার, কর্ণেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিজিটিং প্রফেসর, নিউ স্কুল অব সোস্যাল রিসার্চ- এর ফ্যাকাল্টি মেম্বার, ফরচুন ম্যাগাজিনের ভূত-পূর্ব সম্পাদক ও হোয়াইট হাউজের প্রাক্তন করেসপনডেন্ট। অনেক মর্যাদাপূর্ণ নিয়োগ ও সম্মাননায় ভূষিত ব্যক্তিত্ব তিনি। সারা বিশ্বের ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সবাই তাঁকে একজন ‘ভিজ্নারি’ এবং ‘মাস্টার অব ফিউচার ব্লুপ্রিন্টস’ হিসেবে বিচেনা করেন। তাঁর অনেক ভবিষ্যত বক্তব্যই আজ বাস-ব সত্য। যেমন কম্পিউটারের বিস-ার, ক্যাবল টিভির আগমন, কুলুঙ্গি বা ছোট ছোট বাজার (হরপযব সধৎশবঃ), কর্পোরেটের পূণর্বিন্যাস, সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি, বিশ্ব অর্থনীতির পরিবর্তন, ঘরে বসেই কর্ম সম্পাদন প্রভৃতি সহ আরও ডজন ডজন সম্ভাব্য ঘটনা সম্পর্কে তিনি ভবিষ্যদ্বানী করেছিলেন। এসব নিয়ে কেউ তখন কল্পনাও করেনি অথচ আজ বাস-ব সত্য।
জীবন ও জীবিকা
তাঁর জন্ম আমেরিকায় ০৩ অক্টোবর, ১৯২৮ সনে। তিনি প্রথমে পরিচিতি লাভ করেন ডিজিটাল বিপ্লব, কম্যুনিকেশন বিপ্লব, কর্পোরেট বিপ্লব এবং টেকনোলজিক্যাল সিংগুলারিটি প্রভৃতি লিখে। তাঁর লেখার প্রধান বিষয় প্রথমে ছিল টেকনোলজি ও তার প্রভাব নিয়ে, পরে শুরু করেন সমাজ পরিবর্তন নিয়ে, তারপর ২১ শতকের সামরিক সাজ-সরঞ্জাম, অস্ত্রসস্ত্র ও প্রযুক্তির বিস-ার এবং পুঁজিবাদ নিয়ে। বিয়ে করেন হিদি (ঐবরফর) টফলারকে। তিনিও একজন লেখক এবং ভবিষ্যবাদী। তাঁরা থাকেন লজ এনজেলসে। বিশ্বের সেরা কনসাল্টিং ফার্ম একসেনচুর (অপপবহঃঁৎব) মনে করে ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে বিলগেট ও পিটার ড্রাফারের পরে তিনিই বিশ্বে সবচেয়ে বেশী প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। ফিনান্সিয়লি টাইমস এর মতে তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে বিখ্যাত ভবিষ্যবাদী (ঋঁঃঁৎড়ষড়মরংঃ)। চীনের পিপল্স ডেইলীর ভাষায়, টফলার আধুনিক চীনের রূপকার ৫০ জন বিদেশীর মধ্যে অন্যতম।
টফলারের চিন-াধারা
টফলার বলেন ‘সমাজে এমন মানুষের দরকার যাঁরা বড়দের প্রতি যত্নবান হবেন এবং জানবেন কি করে করুনাময় ও সৎ হতে হয়; এমন মানুষ যাঁরা হাসপাতালে কাজ করে আনন্দ পাবেন। কেবল জ্ঞান ও তত্ত্ব সম্পন্ন নয় প্রয়োজন দক্ষতাসম্পন্ন মানুষেরও। আবেগ, স্নেহ, মায়া, মমতায় ভরা থাকতে হবে মানুষের হৃদয়। কেবল তথ্য-উপাত্ত ও কম্পিউটার দিয়ে সমাজ চলবে না।’ তিনি রি-থিংকিং দ্য ফিউচার বইতে উল্লেখ করেন ‘একুশ শতকে মুর্খ বলতে কেবল অক্ষর জ্ঞানহীন বা লিখতে পড়তে না জানা লোক বুঝাবে না, যারা শেখেনা বা শিখতে চায় না, যারা শেখার বিষয় ভুলে যায় বা যেতে চায় এবং যারা শেখায় আপটুডেট বা হালনাগাদ থাকে না তারা সবাই মুর্খ।’
তাঁর বিখ্যাত বই ঞযব ঞযরৎফ ডধাব- এ তিনি বলেছেন,‘ জলরাশির ঢেউয়ের মতো সমাজ ও সভ্যতা এগিয়ে চলে। প্রতিটি নতুন সামাজিক ঢেউ তার আগের পুরনো সমাজ ও সংস্কৃতিকে ঠেলে দূরে সরিয়ে দেয়।’ তাঁর মতে-
প্রথম ঢেউ
খৃষ্টপূর্ব ৮০০০ বছর আগে কৃষি বিপ্লবের মাধ্যমে গড়ে ওঠা যৌথ পরিবারভুক্ত গ্রাম সমাজ আদিম কালের প্রাণী শিকারী ও পশুচারণকারী গোত্রভুক্ত সমাজকে প্রতিস'াপন করেছে।
দ্বিতীয় ঢেউ
১৬০০’র শেষ থেকে ১৯৫০ খৃঃ পর্যন- শিল্প বিপ্লবের ফলে সৃষ্ট নতুন সমাজ কৃষি সমাজকে প্রতিস'াপন করে। এই সমাজের প্রধান উপাদান
ছোট পরিবার, কল-কারখানা কেন্দ্রিক শিক্ষা ব্যবস'া এবং কর্পোরেসন। টফলার লিখেছেন, ‘ঞযব ঝবপড়হফ ডধাব ঝড়পরবঃু রং রহফঁংঃৎরধষ নধংবফ ড়হ সধংং ঢ়ৎড়ফঁপঃরড়হ, সধংং ফরংঃৎরনঁঃরড়হ, সধংং পড়ঁহঁসঢ়ঃরড়হ, সধংং সবফরধ, সধংং ৎবপৎবধঃরড়হ, সধংং বহঃবৎঃধরহসবহঃ ধহফ বিধঢ়ড়হং ড়ভ সধংং ফবংঃৎঁপঃরড়হ. ণড়ঁ পড়সনরহব ঃযড়ংব ঃযরহমং রিঃয ংঃধহফধৎফরুধঃরড়হ, পবহঃৎধষরুধঃরড়হ, পড়হপবহঃৎধঃরড়হ, ধহফ ংুহপযৎড়হরুধঃরড়হ, ধহফ ুড়ঁ রিহফ ঁঢ় রিঃয ধ ংঃুষব ড়ভ ড়ৎমধহরুধঃরড়হ ধহফ নঁৎবধঁপৎধপু.' ‘দ্বিতীয় ঢেউয়ের শিল্প সমাজ গড়ে উঠেছে গণউৎপাদন, গণবিতরন, গণভোগকরন, গণশিক্ষা, গণমাধ্যম, গণবিনোদন, গণআনন্দ এবং গণধ্বংসের মারণাস্ত্রেয় উপর ভিত্তি করে। আপনি এগুলোকে একিভূত, মানসম্মত, কেন্দ্রীভূত ও সমতায় এনে আমলাতন্ত্রের মাধ্যমে সামলাতে পারেন।’
তৃতীয় ঢেউ
শিল্পোত্তর সমাজ ১৯৫০ এর দশক থেকে পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই পরিবর্তনের দ্বিতীয় ঢেউকে সরিয়ে এক নতুন সমাজে প্রবেশ করেছে। টফলার এ সমাজের নাম দিয়েছেন ‘সুপার ইন্ডাস্ট্রিয়াল সোসাইটি’। অন্যদের দেয়া নামও তিনি উল্লেখ করেছেন। যেমন- তথ্য যুগ, মহাশূন্য যুগ, ইলেকট্রনিক যুগ, গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম, টেকনেট্রনিক যুগ, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিপ্লব ইত্যাদি। এগুলোতে বিভিন্ন মাত্রায় ও ধারায় ভবিষ্যদ্বানী করা হয়েছে ; যার মূল কথা এযুগে গণায়ন সরে যাবে তার জায়গায় বৈচিত্র্য বা ডাইভারসিটি বাড়বে এবং খুব দ্রুত জ্ঞানভিত্তিক উৎপাদন এবং পরিবর্তন সাধিত হবে। এব্যাপারে টফলারের বহুল ব্যবহৃত প্রবাদ উল্লেখযোগ্য, ‘পযধহমব রং হড়হ-ষরহবধৎ ধহফ পধহ মড় নধপশধিৎফং, ভড়ধিৎফং ধহফ ংরফবধিুং' ‘পরিবর্তন সরল-রৈখিক নয় সামনে পেছনে ডানে বা বামে যে কোন ভাবেই হতে পারে।’ শিল্পোত্তর সমাজে লাইফ স্টাইল বা জীবন ধারা ব্যাপক বৈচিত্রময় ও বহুমুখি হতে পারে। আগে থেকে নির্ধারন না করেই সংঘটিত পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে সমর্থ হবে। তথ্য ও জ্ঞান অধিকাংশ জিনিসের বিকল্প সম্পদ হিসেবে কাজ করবে। শ্রমজীবি-কর্মজীবিদের কাছে তাই তথ্যই হবে প্রধান সম্বল। এর ফলে অবহেলিত শ্রমিক শ্রেণী হবে সর্বহারার (চৎড়ষবঃধৎরধহ) পরিবর্তে জ্ঞানভিত্তিক দক্ষ কর্মী (পড়মহরঃধৎরধহ)। কম্পিউটারের সাহায্যে নিজের ইচ্ছামতো ব্যাপক পরিবর্তন (গধংং ঈঁংঃড়সরুধঃরড়হ) করার ফলে উৎপাদন সস-া বা অর্থসাশ্রয়ী, ব্যক্তিকেন্দ্রিক এবং ছোট ছোট কুলুঙ্গি বা কোটরেই করা সম্ভব হবে। সাজানো পদ্ধতির প্রযুক্তি (কনফিগারেসন সিস্টেম টেকনোলজি) ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে বিদ্যমান ফাঁক পুরন করা সম্ভব হবে। নতুন প্রযুক্তির ফলে উৎপাদক (ঢ়ৎড়ফঁপবৎ) ও ভোক্তা (পড়হংঁসবৎ) আমূলভাবে পরিবর্তিত হয়ে, তাঁর ভাষায়, ‘প্রজুমারে’ (ঢ়ৎড়ংঁসবৎ) রূপানি-ত হবে। ‘প্রজুমার’ নিজেই নিজের প্রয়োজন মেটাতে পারবে। কোন কোন ক্ষেত্রে প্রজুমিং পদ্ধতিতে তৃতীয় ব্যক্তির প্রয়োজন ছাড়া ভোক্তা নিজেই নিজের কাজ করে নিতে পারবে। যেমন- সর্বাধুনিক ব্যাংকিং সেবা ব্যবস'াপনায় এটিএম (অঞগ) পদ্ধতিতে যে কোন গ্রাহক ব্যাংক টেলার ছাড়াই ব্যাংকিং এর কাজ করে থাকে বা ডাকবাবু ও ডাকপিয়নের পরিবর্তে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংবাদ ও চিঠি লেনদেন করা হয়। নতুন চিকিৎসা প্রযুক্তি ন্যানোটেকনোলজির (হধহড়ঃবপযহড়ষড়মু) সাহায্যে ডাক্তারের পরিবর্তে নিজের চিকিৎসা নিজেই করা যায়। বয়স্করা আজকাল নিজেই নিজের রোগ নির্ণয় (ঝবষভ-ফরধমহড়ংরং) করে থাকেন। রক্তের বা প্রস্রাবের শর্করা পরীক্ষার জন্য আজ আর প্যাথলজি ল্যাবে দৌড়াতে হয় না। নিজের ঘরে বা টয়লেটে বসেই ডিপস্টিকের মাধ্যমে প্রস্রাব পরীক্ষা করা যায়। এতে পুরো স্বাস'্য শিল্পের প্রচলিত পদ্ধতিই বদলে যাচ্ছে।
টফলারের চিন-াধারার বাস-বতা
১৯৬০ এর দশক থেকে মানুষ নতুন প্রযুক্তির প্রভাব এবং সমাজ পরিবর্তনের ধারা বুঝতে চেষ্টা করে আসছে। টফলারের লেখাগুলো বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও পাবলিক পলিসির বাইরেও প্রভাব বিস-ার করতে সক্ষম। তাঁর ঋঁঃঁৎব ঝযড়পশ বইতে বর্ণিত ঃবপযহড় ৎবনবষং দ্বারা অনুপ্রানিত হয়ে জুয়ান আটকিন্স ‘টেকনো মিউজিক’ নামক নতুন মিউজিক্যাল স্টাইল উদ্ভাবন করেন।
তাঁর যুক্তি আজকের দিনে সম্পদ সবখানেই পাওয়া যায়- পৃথিবীতে, সাইবার স্পেসে এবং আউটার স্পেসে। পৃথিবীর উর্ধ্বস-রে বিভিন্ন স'ানে কৃত্রিম উপগ্রহ স'াপনের মাধ্যমে বৈশ্বিক অবস'ানের সুবিধা নিয়ে সেলফোন থেকে এটিএম পর্যন- সবকিছুতে সময় ও তথ্যকে নির্ভুলভাবে সমন্বিত করে সরবরাহ করা হয়। স্যাটেলাইটের সাহায্যে আবহাওয়া ট্র্যাকিং করে বাস-বিক ও যথার্থ আবহাওয়ার পূর্বাভাষ প্রদানের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে।
টফলারের চিন-াধারা ও কাজ ভবিষ্যতত্ত্বের মতোই বিভিন্ন সমালোচনার সম্মুখীন। তন্মধ্যে প্রধান বিরুদ্ধ মত এই যে, তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী কাব্যধর্মী যা বাস-বে অসম্ভব। তাঁর চিন-াধারা ও বিশ্বাসে চিড় ধরবে যদি এ যুগের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে খ্যাত পৃথিবীর বাইরে মহাশূণ্য (চন্দ্র, মঙ্গলগ্রহ ইত্যাদি) থেকে সম্পদ আহরণ করা সম্ভব হয়। টফলারের দুটি ভবিষ্যত বাণীর কার্যকর বাস-বায়ন আজও দেখা যায় নি তার একটি কাগজবিহীন অফিস এবং অন্যটি মানব ক্লোনিং। এর কারণ প্রযুক্তিগত বাধা নয় সমাজতাত্বিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় প্রচলিত শর্তাদি।
তবে ১৯৯০ এর দশকে তাঁর চিন-াধারা প্রকাশ্যে প্রশংসিত হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চকক্ষের বা হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের ৫৮ তম স্পীকার নিউট গিনগ্রিক আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে সম্মান জানান।
লেখক ও টিউটর টফলার
অ্যালভিন টফলার এবং তাঁর স্ত্রী হিদি টফলার দুজনে মিলেই বই লেখেন। তাঁদের লেখা কয়েকটি বিখ্যাত বইয়ের শিরোনাম-
ঋঁঃঁৎব ঝযড়পশ (১৯৭০), ঞযব ঊপড় ঝঢ়ধংস জবঢ়ড়ৎঃ (১৯৭৫), ঞযব ঞযরৎফ ডধাব (১৯৮০), চৎবারড়ঁং ্ চৎবসরংবং (১৯৮৩), ঞযব অফধঢ়ঃরাব ঈড়ৎঢ়ড়ৎধঃরড়হ (১৯৮৫), চড়বিৎ ঝযরভঃ: কহড়ষিবফমব, ডবধষঃয ধহফ ঠরড়ষবহপব ড়ভ ঃযব ঊফমব ড়ভ ঃযব ২১ংঃ ঈবহঃঁৎু (১৯৯০), ডধৎ ধহফ অহরঃ-ডধৎ (১৯৯৫) এবং জবাড়ষঁঃরড়হধৎু ডবধষঃয (২০০৬)।
১৯৯৬ সনে টফলার দম্পতি কন্সালটিং ফার্ম ‘টফলার এন্ড এসোসিয়েটস’ প্রতিষ্ঠা করেন। এটি একটি এক্সিকিউটিভ এডভাইজরি ফার্ম। এই সংস'া শিল্প, বানিজ্য ও সরকারী এজেন্সিসমূহের নেতৃবৃন্দকে টিউটরিয়াল পদ্ধতিতে এডভাইজ করে থাকে।
টফলার দম্পতির সাথে নিউট গিনগ্রিক
পৃথিবীর অনেক বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব টফলার দম্পতির টিউটরিয়েল-এ আত্মোন্নতির শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। তন্মধ্যে কয়েকজন বিশ্ব খ্যাত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের নাম নিম্নে উল্লেখ করা হলঃ
১। মিখাইল গর্বাচেভ- অধুনালুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ নেতা ১৯৮৬ সনে ‘পেরেস্ত্রয়কা’ গঠনের আগে তাঁর স্মরণাপন্ন হন।
২। ঝাও ঝিয়াং- চীনের সংস্কারবাদী প্রধানমন্ত্রী ১৯৮৮ সনে।
৩। জাপানের অধিকাংশ নেতা হিরুফুমি নাকাসোনে থেকে জুনিচিরু কুইজুমি পর্যন- সবাই। তাছাড়া টফলার জাপানের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের কাছে খুবই সুপরিচিত ও শ্রদ্ধার পাত্র।
৪। ডক্টর মাহাথির মোহাম্মদ- মালয়েশিয়ার ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রী।
৫। ডক্টর এপিজে আবদুল কালাম- ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি।
৬। এল কে আদভানি- ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।
৭। কিম দায়ে যুং- দক্ষিণ কোরিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ও ২০০০ সনে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।
৮। নিউট গিনগ্রিক- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চকক্ষ সংসদের স্পীকার।
৯। রিচার্ড ড্যানজিগ- মার্কিন নৌবাহিনীর (৭১ তম) সচিব ও আইনজীবি । তিনি বর্তমানে সিনেটর ব্যারাক ওবামার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের উপদেষ্টা।
শেষ কথা
২০০৯ সনের ০৩ অক্টোবরে তিনি ৮২ বছরে পা দিলেন। তাঁর এবং তাঁর সহধর্মিনী ইদি টফলারের দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস'্য কামনা করি।
বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, শিল্পপতি, সামরিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের এ্যালভিন টফলারের টিউটারিয়ালের ক্লায়েন্ট হতে পারলে বোধহয় ভাল হত। যাহোক, তাঁর দ্য থার্ড ওয়েব বইখানি বাংলায় ভাষান-রিত হওয়া দরকার মনে করে দুঃসাহসী অভিযান শেষ করেছি। বইটির নাম রেখেছি মানব সভ্যতার তৃতীয় ঢেউ।
(চলবে)
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
 |
|
|
|
Untitled Document
|
|
Designed & Developed by Doshdik
Media Ltd.
Japan address:
Akiba Mitaki-kan, 4F,Sotokanda 4-5-5,Chiyoda-ku,Tokyo 101-0021, Japan
Phone: +81-3-3255-5861 Fax: +81-3-3255-5862 E-mail: info@doshdik.com
Bangladesh Address:
House# 2, Road# 7, Sector# 3, Uttara Model Town, Dhaka-1230, Bangladesh
Phone: +880-2-8919351,
+880-2-8956608,Fax: +880-2-8963402,E-mail: info@doshdik.com |
| Home | About Us| Advertise
| Terms & Conditions| Contact Us |
| ©Doshdik
Media Limited. All rights reserved. |
|
|