|
Untitled Document
|
|
Untitled Document
|
|
|
|
 |
|
2010-02-24 |
|
ছোট ছোট বালুকণা বিন্দু বিন্দু জল......... |
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে যে শিক্ষার বিকল্প কিছু নেই তা আর না বললেও চলে। বাংলাদেশের মতো একটি সমস্যাজর্জরিত ভূখন্ডে কীভাবে ১৫ কোটি লোক বসবাস করছে ভাবলে আশ্চর্য না হয়ে পারা যায় না। শুধু সরকারই নয়, জাতিসংঘ, বিশ্বের ধনীদেশগুলোর সাহায্য ব্যতিরেকে অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবী, অলাভজনক সংস'া-সংগঠন কাজ করছে প্রত্যন- অঞ্চলে ১৯৭২ সাল থেকেই।।
স্বস্বাধীনতার ৩৮ বছর পরও এদেশে শিক্ষিতের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে ধীরে ধীরে। এর জন্য রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ এবং ধর্মীয় সমস্যাই দায়ী। কিন' শিক্ষিতের হার বৃদ্ধি পেলেও বেকার সমস্যা একটি গুরুতর সমস্যা। পর্যাপ্ত কর্মসংস'ান না থাকার মূল কারণ শিল্পায়নের অভাব। একটি দেশের কর্মক্ষম জনসংখ্যা কাজ করে সাধারণত উৎপানদশীল খাত বিশেষ করে কৃষি এবং কল-কারখানায়। কিন' দুঃখের বিষয় বিগত
৩৮ বছরেও এসব ক্ষেত্রে আশানুরূপ উন্নতি হয়নি। ফলে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার তরুণ প্রজন্মকে বহির্বিশ্বে যেতে হচ্ছে শ্রমবিক্রির জন্য। জাতি হিসেবে এটা মোটেই গর্বের বিষয় নয়, কিন' গত্যন-র নেই। প্রবাসীদের রেমিটেন্সই বাংলাদেশের অসি-ত্ব। ্ব।
মানুষের কাজ করার ইচ্ছে প্রবল। কিন' প্রকৃত নেতৃত্ব না থাকার কারণে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ নেই বললেই চলে। জোর যার মুল্লুক তার এই মধ্যযুগীয় সমাজ ব্যবস'ায় একুশ শতকে এসে বাংলাদেশের আমজনতা মাথা কুটে মরছে। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ কবে হবে জানি না, তবে বর্তমানে দেশীয় উদ্যোগ ও কর্মকান্ডের চেয়ে বহিরাগতদের সমর্থনে পরিচালিত উন্নয়নই অগ্রসরমান।।
বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়নে কত সংখ্যক বিদেশী সংস'া কাজ করছে সে পরিসংখ্যান অজানা। তবে ইন্টারনেটে অনুসন্ধান করলে ভুরি ভুরি সংস'া-সংগঠনের তথ্য বেরিয়ে পড়ে। কত না প্রত্যন- অঞ্চল কত না প্রকল্প! অনেকে মনে করেন, স্বাধীনতার পর দেশী-বিদেশী এনজিও- গুলোর বদৌলতে বাংলাদেশের গ্রামেগঞ্জে, প্রত্যন- অঞ্চলে শিশুশিক্ষার হার বেড়েছে। এইসব সংস'াগুলোর কর্মক্ষেত্র মূলত গ্রামভিত্তিক। এ পর্যন- কতগুলো সংস'া সুফল এনেছে বা উন্নয়ন ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী ফলাফল রেখেছে বলা মুশকিল। বিপ্লব ঘটিয়েছে গ্রামীণ ব্যাংক। যে কারণে বিশ্বব্যাপী এর সুনাম নোবেল শানি- পুরস্কার পর্যন- ছিনিয়ে এনেছে।।
এই সংখ্যার ঘরেবাইরে বিভাগে আলোচ্য বিষয় ১৯৭১ সাল থেকে বাংলাদেশে কর্মরত সিআরএস (ঈধঃযড়ষরপ জবষরবভ ঝবৎারপবং=ঈজঝ) এর কর্মকান্ড। বাংলাদেশে এর এজেন্সি হচ্ছে বহুশ্রুত প্রতিষ্ঠান কারিতাস। প্রত্যন- এবং পাহাড়ি অঞ্চলেই এদের প্রকল্পগুলো চলছে।।
েেডভিড স্নাইডার নামক এক বিদেশীর প্রতিবেদন থেকে জানা যায় যে, কারিতাস ১৯৯৭ সালে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা চাপাইনবাবগঞ্জের প্রত্যন- গ্রাম ‘সানগোইলে’ একটি স্কুল স'াপন করে ‘অধিকারবঞ্চিত শিশুদের প্রস'তিমূলক শিক্ষা’ প্রকল্পের অধীনে (টহফবৎঢ়ৎরারষবমবফ ঈযরষফৎবহ চৎবঢ়ধৎধঃড়ৎু ঊফঁপধঃরড়হ চৎড়লবপঃ=টঈচঊচ). মোহাম্মেদ বাবু নামের একটি ছেলে এই প্রতিষ্ঠান থেকেই শিক্ষালাভ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যন- অগ্রসর হয়। সেখান থেকে পরিসংখ্যান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে তার গ্রামে ফিরে এসে ঐ স্কুলে শিক্ষকতার পেশায় নিজেকে নিযুক্ত করে। এই ঘটনা এটাই প্রমাণ করেছে যে, শিক্ষার আলো পেলে অধিকারবঞ্চিত একটি মানুষও উন্নতির শিখরে উঠতে পারে। প্রতিবেদকের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে সে বলেছে, ‘ইচ্ছে ছিল পড়লেখা করার কিন' দরিদ্র এই অঞ্চলে সেই সুযোগ ছিল না, কারিতাস যদি এই অজগাঁয়ে স্কুল প্রতিষ্ঠা না করত আমি এ পর্যন- আসতে পারতাম না।’ এটাই হচ্ছে বাংলাদেশের বাস-বতা। আমাদের শিক্ষাটা নিতে হবে এখান থেকেই। ‘ছোট ছোট বালুকণা বিন্দু বিন্দু জল, গড়ে তোলে মহাদেশ সাগর অতল’ অর্থাৎ একজন দুজন থেকে থেকেই লক্ষ--কোটিতে সমপ্রসারিত হয়ে যায় উষ্ণ উষ্ণ সহযোগিতার হাত।।
কারিতাস শুধু যে শিশুশিক্ষা নিয়ে কাজ করছে তা নয়, প্রত্যন- অঞ্চলের গ্রামবাসীকে কিভাবে শিক্ষার মাধ্যমে স্বনির্ভর হওয়া যায়; বাল্য-বহুবিবাহ-যৌতুকপ্রথা প্রতিরোধ সম্ভব; এইচআইভি, এইডস প্রভৃতি রোগ সম্পর্কে সচেতন হওয়া যায় ইত্যাদি কাজও করছে। রাজশাহীতে ঐতিহ্যবাহী ‘গম্ভিরা’ গানের আয়োজনের মধ্য দিয়ে উপরোক্ত বিষয়ে সচেতনতা শিক্ষা দেয়া তাদের চমৎকার একটি উদ্যোগ। এছাড়া ‘সমন্বিত আঞ্চলিক উন্নয়ন প্রকল্পে’র অধীন আদিবাসীদের মৌলিক অধিকার নিয়েও কারিতাসের কাজ প্রশংসনীয়। বরিশাল, রাজশাহী, দিনাজপুর, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভিবাজার, ময়মনসিংহ প্রভৃতি জায়গার আদিবাসীদের পৈত্রিক আশ্রয়, ধানীজমি ও সম্পদ স'ানীয় মধ্যসত্ত্বভোগী, ঋণের মাধ্যমে জমি দখলকারীদের হাত থেকে রক্ষা করা এই প্রকল্পের একটি উল্লেখযোগ্য দিক সেইসঙ্গে মৌলিক শিক্ষা ও উন্নয়নবিষয়ক কর্মকান্ডও অন-র্ভুক্ত।।
পৃথিবীতে কারো পক্ষেই একশ ভাগ সম্পূর্ণ, সঠিক কাজ করা সম্ভব নয়। ভুলভ্রানি-, অসনে-াষ, বাদবিবাদ থাকবেই তারপরও এই যে ছোট ছোট উদ্যোগের মাধ্যমে আলো জ্বলে উঠছে এটা কম অগ্রগতি নয়। ।
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
 |
|
|
|
Untitled Document
|
|
Designed & Developed by Doshdik
Media Ltd.
Japan address:
Akiba Mitaki-kan, 4F,Sotokanda 4-5-5,Chiyoda-ku,Tokyo 101-0021, Japan
Phone: +81-3-3255-5861 Fax: +81-3-3255-5862 E-mail: info@doshdik.com
Bangladesh Address:
House# 2, Road# 7, Sector# 3, Uttara Model Town, Dhaka-1230, Bangladesh
Phone: +880-2-8919351,
+880-2-8956608,Fax: +880-2-8963402,E-mail: info@doshdik.com |
| Home | About Us| Advertise
| Terms & Conditions| Contact Us |
| ©Doshdik
Media Limited. All rights reserved. |
|
|